বাসে উঠলেই পয়সা উশুল! এই শহরে মিনি বাসে উঠলে দেওয়া হচ্ছে মাস্ক, স্যানিটাইজার

দুদিন আগেই বর্ধমান শহরে বেসরকারি মিনিবাস পরিষেবা চালু হয়েছে। দিন দিন বাড়ছে বাসের সংখ্যা।তবে যাত্রী হচ্ছে খুবই কম।

দুদিন আগেই বর্ধমান শহরে বেসরকারি মিনিবাস পরিষেবা চালু হয়েছে। দিন দিন বাড়ছে বাসের সংখ্যা।তবে যাত্রী হচ্ছে খুবই কম।

  • Share this:

#বর্ধমান: বাসে উঠলেই পয়সা উশুল। যাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে সারপ্রাইজ গিফ্টের ব্যবস্থা করল বর্ধমানের টাউন সার্ভিস মিনি বাস মালিকরা। বাসের পাদানিতে পা রাখার আগেই মুখে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে সার্জিক্যাল মাস্ক। হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজারের বোতল। এই উপহার পেয়ে বেজায় খুশি যাত্রীরা। যাত্রী সুরক্ষায় দুটি সিটের মাঝে বিশেষ পলিথিনের পর্দা ব্যবস্থা করেছিলেন এই শহরের টাউন সার্ভিস মিনি বাস মালিকরা। নিউজ18 বাংলায় সে খবর দেখানো হয়েছিল। এরপর আবার সেই শহরে টাউন সার্ভিস বাসে যাত্রীদের হাতে দেওয়া হচ্ছে মাস্ক, স্যানিটাইজার। ৮ টাকা ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই কম করে কুড়ি টাকার উপহার পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি যাত্রীরা।

দুদিন আগেই বর্ধমান শহরে বেসরকারি মিনিবাস পরিষেবা চালু হয়েছে। দিন দিন বাড়ছে বাসের সংখ্যা।তবে যাত্রী হচ্ছে খুবই কম। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় বাসিন্দাদের অনেকেই এখনও খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হতে নারাজ। বয়স্করা একদমই বের হচ্ছেন না। তবে রুটি রুজির তাগিদে নিরুপায় হয়ে পথে বের হতে হচ্ছে অনেকেই। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার বাসে ঘা ঘেঁষাঘেঁষি করে বসতে নারাজ। তাঁদের উদ্বেগ দূর করতেই এই মাস্ক বা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা বলে জানাচ্ছেন বাস কর্মীরা।

বর্ধমান শহরের মধ্যে ৬০টি বেসরকারি মিনিবাস চলাচল করে ৷ বিভিন্ন রুটের ৯টি বাসে যাত্রী সুরক্ষায় পলিথিনের পর্দার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পলিথিন দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে চালকের কেবিনও। এবার ৮টি বাসে যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক পড়ানোর কাজ শুরু করলেন মিনিবাস মালিকরা। যাত্রীরা বললেন, এই পরিস্থিতিতে বাসে উঠতে দ্বিধা বোধ হচ্ছিল। কারণ কে যে নিজের অজান্তে করোনার সংক্রমণ বহন করছে তা কারোরই জানা নেই। কিন্তু মুখে মাস্ক পরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি হাতে স্যানিটাইজার শিশি দেওয়ার পর অনেকটাই স্বস্তি বোধ করছি।

শুধু বিনামূল্যে স্যানিটাইজার বা মাস্কের ব্যবস্থাই নয়, সামাজিক দূরত্ব যতটা সম্ভব বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাস কর্মীরা। এমনিতেই বাসে যাত্রীর সংখ্যা কম হচ্ছে। তাই একটি সিটে একজন যাত্রীকেই বসার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস কর্মীরা। বর্ধমান টাউন সার্ভিস বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবলু শর্মা বললেন, যাত্রীরা সুরক্ষিত থাকলেই বাস কর্মীরা সুরক্ষিত থাকবেন। সে জন্যই মাস্ক পরিয়ে স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। এতে যাত্রীরা সচেতন হবেন। ঘরের বাইরে পা দিলে মুখে মাস্ক বাঁধা বা স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখার অভ্যেস তৈরি হবে। এছাড়াও প্রত্যেক সিটে একজন করে যাত্রী নিয়ে আমরা বাস পরিষেবা চালু করেছি।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: