মাত্র ২৪ হাজারের জন্য আদতে শেষ হল ৪টে প্রাণ! কী করে ৫ মিনিটে কাজ সারল খুনি?

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2019 09:00 PM IST
মাত্র ২৪ হাজারের জন্য আদতে শেষ হল ৪টে প্রাণ! কী করে ৫ মিনিটে কাজ সারল খুনি?
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2019 09:00 PM IST

#জিয়াগঞ্জ: মাত্র ৫ মিনিটে তিন তিনটি খুন। বাড়িতে ঢুকে একের পর এক কুপিয়ে খুনের অভিযোগে ধৃত পেশায় রাজমিস্ত্রি। জিয়াগঞ্জে স্বামী, অন্তসত্বা স্ত্রী ও শিশুকে খুনের দায়ে ঘটনার ৮ দিনের মাথায় পুলিশের এই দাবি নিয়ে তাই বেশ কিছু প্রশ্ন রয়ে গেল। ১২ টা ৬ থেকে ১২ টা ১১। অর্থাৎ পুলিশের দাবি অনুসারে এই ৫ মিনিটেই ৩টে খুন হয়েছে। আদৌ কি সম্ভব? একজনের পক্ষে? পুলিশের বক্তব‍্য মেনে নিয়েই ঘটনাস্থলের অবস্থাটা আরও একবার দেখে নেওয়া যাক।

ঘরে ঢুকেই ডান দিকে খাটে পরেছিল বন্ধুপ্রকাশ পালের মৃতদেহ। মাঝে মেঝেতে ছেলের মৃতদেহ ও ভিতরের ঘরে অন্তঃসত্ত্বা বিউটি পালের মৃতদেহ।

প্রথম বন্ধুপ্রকাশ পালকে আক্রমণ করার পরেই চিৎকার চেঁচামেচি ও বাধা দেওয়ার ঘটনা স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে বন্ধুপ্রকাশ পালের পর তার সন্তান ও স্ত্রীকে এভাবে পরপর খুন করা সম্ভব?

কী উদ্ধার করবে পুলিশ? খুনে ব‍্যবহৃত অস্ত্র? যে কোনো খুনের ঘটনায় যা দোষী প্রমাণে প্রাথমিক ও অন‍্যতম প্রমাণ হিসাবে বিবেচিত হয়। আর এই জায়গাতেই আরও প্রশ্ন উঠছে।

মাত্র ২৪ হাজার টাকার জন‍্য এভাবে ৫ মিনিটে তিনটে খুন করার পর ঠাণ্ডা মাথায় তথ‍্য প্রমাণ লোপাটের কাজ সাধারণত পেশাদার খুনির পক্ষেই সম্ভব। যদিও ধৃত উৎপল বেহরার তেমন কোনও ব‍্যাকগ্রাউণ্ড এখনও পাওয়া যায়নি। এমনকি পুলিশের বক্তব‍্য , ১০টা ৩৭ মিনিটে ফোন করার পর অভিযুক্ত সাগরদিঘির সাহাপুর থেকে ফোন করে তারপর জিয়াগঞ্জের লেবুবাগানে বন্ধুপ্রকাশ পালের বাড়িতে এসে হামলা চালায়। এই সময়ের মধ‍্যে কি আদৌ পৌঁছোনো সম্ভব? এখন বহু প্রশ্ন উঠছে জিয়াগঞ্জ খুনে পুলিশের দাবিকে ঘিরে।

First published: 09:00:12 PM Oct 16, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर