হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
নিজের কেন্দ্রে পা রেখেই বিজেপি ভাঙালেন মুকুল রায়! কৃষ্ণনগরে তৈরি চাণক্য-ছক

Mukul Roy: নিজের কেন্দ্রে পা রেখেই বিজেপি ভাঙালেন মুকুল রায়! কৃষ্ণনগরে তৈরি চাণক্য-ছক

মুকুল-কৌশল

মুকুল-কৌশল

Mukul Roy: বিধানসভা নির্বাচনের পর রবিবারই প্রথম কৃষ্ণনগরে এলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়৷ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিনি কৃষ্ণনগরের বেলেডাঙা মোড়ে যে বাসভবনে থাকতেন, সেখানেই যান তিনি।

  • Last Updated :
  • Share this:

#কৃষ্ণনগর: অনেকদিন আগে থেকেই বঙ্গ রাজনীতিতে তাঁর পরিচয় 'চাণক্য' নামে। দল ভাঙানোর খেলায় যে তিনি সিদ্ধহস্ত, তা বারবার প্রমাণ করেছেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। কিন্তু বহুদিন তিনি নিজে ভোটে দাঁড়াননি। এবার দাঁড়িয়েছিলেন। বলা ভালো, তাঁকে দাঁড় করিয়েছিল বিজেপি। কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রে মুকুলকে পাঠানো হলেও সসম্মানে জিতে এসেছেন তিনি। কিন্তু গোটা রাজ্যে বিজেপির ভরাডুবির পর ফের নিজের পুরনো ঘর তৃণমূলে ফিরে এসেছেন মুকুল। আর ঘরে ফিরেই ফের শুরু করেছেন দল ভাঙানোর খেলা। তা থেকে বাদ গেল না মুকুলের নিজের কেন্দ্র কৃষ্ণনগর উত্তরও।

বিধানসভা নির্বাচনের পর রবিবারই প্রথম কৃষ্ণনগরে এলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়৷ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিনি কৃষ্ণনগরের বেলেডাঙা মোড়ে যে বাসভবনে থাকতেন, সেখানেই যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন পুত্র শুভ্রাংশু রায়৷ সেখানে তিনি দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন৷ এরপর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর ৩৪ নং জাতীয় সড়কের পাশে একটি রেস্তোরাঁয় দলীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন। সেখানেই বৈঠক করেন তিনি৷

বিধানসভা নির্বাচনে তার নির্বাচনী এজেন্ট তথা বিজেপি নেতা অরুপ রায় সেই বৈঠকেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন৷ সাংবাদিকদের মুকুল রায় অবশ্য জানান, দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কৃষ্ণনগরের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্য এদিনের এই কর্মসূচি৷ এছাড়াও বেশ কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর সহ শতাধিক বিজেপি কর্মী মুকুল রায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন৷

এদিকে, বিজেপির তরফে বিধানসভার পিএসি পদে মুকুল রায়ের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে বিধানসভার সচিবকে চিঠি লিখলেও সেই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে। বিধানসভা থেকে প্রকাশিত ২০ জনের মনোনয়ন তালিকায় নাম রয়েছে বিজেপিত্যাগী মুকুল রায়ের। এ প্রসঙ্গে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে থেকে মুকুল রায়কে দলে যুক্ত করেছেন, এখন তিনি তাঁকে বিজেপির লোক বলছেন। এ রাজ্যে কোনও আইন মানা হচ্ছে না। পরম্পরাগতভাবে বিজেপি থেকে মনোনীত ব্যক্তিকেই সদস্য করা উচিত ছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি থেকে কাউকে নিতে চাইছেন না। গতবার বিরোধীদের জন্য ১৫টি পদ ছিল, এবার ১০টি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওনারা নির্বাচনে জিতে সরকার গড়েছেন। ওঁদের ইচ্ছা হলে কোনও পদ দিতে নাও পারেন। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা মেনেই চলা উচিত।’

Published by:Suman Biswas
First published:

Tags: Mukul roy