corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঘোড়ার গাড়িতে করোনার ত্রাণ! অতি সাধারণ মানুষের এই হৃদয়বত্তাকে স্যালুট

ঘোড়ার গাড়িতে করোনার ত্রাণ! অতি সাধারণ মানুষের এই হৃদয়বত্তাকে স্যালুট
এই সেই ত্রাণ বোঝাই ঘোড়ার গাড়ি।

আব্দুল সাত্তার জানিয়েছেন,লকডাউন পিরিয়ডে মানুষকে কিভাবে একঘেয়েমি কাটিয়ে তোলা যায় তা নিয়ে তিনি ভেবেছেন। অবসাদগ্রস্ত আনন্দ দেবার অন্য কোনও রাস্তা না থাকায় ঘোড়ার গাড়ি সাজিয়ে এলাকায় নিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিলির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

  • Share this:

#মুর্শিদাবাদ: লকডাউন পিরিয়ডে বহু মানুষই গৃহবন্দি থেকে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।মানুষের সেই একঘেয়ামি কাটাতে হবে। দিতে হবে চিকিৎসাও। তাই ঘোড়ার গাড়ি চেপে দুস্থ অসহায় মানুষদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিলেন আব্দুল সাত্তার।এই বন্দিদশায় সুসজ্জিত ঘোড়া দেখতে পেয়ে আনন্দিত  ইটাহারের বাসিন্দারা।অনেকেই বলছেন, ইটাহার ব্লকের বাসিন্দাদের আজ রথদেখা কলাবেচা দুটো একসঙ্গে করে দিলেন ইটাহার ব্লকের দুর্লভপুর অঞ্চলে ভাগনইল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল সাত্তার।

মানুষকে গৃহবন্দি থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার ডাক দিয়েছে  সরকার। গত ২০ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন।এই লকডাউন পিরিয়ডে গ্রামগঞ্জের মানুষের বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষ গৃহবন্দি থাকার কারণে চরম সমস্যায় পড়েছেন দু:স্থ মানুষজন। কারও ঘরে খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে।দীর্ঘ একমাস গৃহবন্দি থাকার কারণে বহু মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।ইটাহার ব্লকের দুর্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগনাইল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল সাত্তার মানুষের এই দুর্দশা চাক্ষুস করেছে।

পেশায় পঞ্চায়েত কর্মী এই ব্যক্তি তাই একঘেয়ামি কাটিয়ে তুলে আনন্দ দেবার অন্য কোন উপায় না পেয়ে  অভিনব পদ্ধতি গ্রহন করলেন। বাড়িতে ঘোড়া পোষেন তিনি।মুর্শিদাবাদ জেলায় ঘোড়ার গাড়ি প্রচুর দেখা গেলেও উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঘোড়া নেই বললেই চলে। কিন্তু শুধু ঘোড়া নিয়ে গেলেই চলবে না। পেট ভরানোর জন্য চাল, ডাল, আলুও মানুষের হাতে তুলে দেবার সিদ্ধান্ত নেন।ঘোড়ার গাড়ি সাজিয়ে সেই গাড়িতে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে গ্রামগঞ্জে ঘুরে ঘুরে দুস্থ মানুষদের হাতে তুলে দেন তিনি। সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি দেখে  গ্রামগঞ্জের মানুষ বেশ আনন্দিত।সেই সঙ্গে দুঃস্থ মানুষদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়ে তৃপ্ত আব্দুল সাত্তার।

আব্দুল সাত্তার জানিয়েছেন,লকডাউন পিরিয়ডে মানুষকে কিভাবে একঘেয়েমি কাটিয়ে তোলা যায় তা নিয়ে তিনি ভেবেছেন। অবসাদগ্রস্ত আনন্দ দেবার  অন্য কোনও রাস্তা না থাকায় ঘোড়ার গাড়ি সাজিয়ে  এলাকায় নিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিলির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।মানুষ তাঁর ভাবনাকে তারিফ করেছেন, এটুকুই তাঁর পুরস্কার।

First published: April 19, 2020, 11:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर