corona virus btn
corona virus btn
Loading

নৃশংস! ছেলে মেয়ের সামনেই মাকে গুলি করে  কুপিয়ে খুন করল বাবা

নৃশংস! ছেলে মেয়ের সামনেই মাকে গুলি করে  কুপিয়ে খুন করল বাবা

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের গৃহবধূ খুনের ঘটনায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসায় এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: ছেলেমেয়ের সামনেই মাকে গুলি করার পর কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করল বাবা! বাবার হাতে বন্দুক। তাই ভয়ে রা কাড়েনি ভাইবোন। দুদিন পর মামার বাড়িতে গিয়ে বাবার কুকীর্তির পর্দা ফাঁস করল বাবা।

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের গৃহবধূ খুনের ঘটনায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসায় এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

গত শনিবার রাতে মঙ্গলকোটের মাহাত্তুবাপুর গ্রামে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে তাঁকে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে অনুমান করেছিল পুলিশ। কিন্তু আজ নতুন তথ্য উঠে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

মৃত মহিলার দুই সন্তানকে মঙ্গলবার ভাতার থানার কালিটিকুড়ি গ্রামে মামার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে  তারা জানায়, মাকে প্রথমে গুলি করা হয়। তারপরে কাটারি দিয়ে একাধিকবার মায়ের শরীরে আঘাত করে বাবা। বাবার হাতে বন্দুক ছিল। তাই ভয়ে আমরা কিছু বলিনি। এই কথা মামার বাড়ির লোক শোনার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ভাতারের কালিটিকুড়ি গ্রামে।

রেজিনা বেগম নামে ওই মহিলার মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে  পাঠানো হয়েছিল । মাথায় গভীর ক্ষত থাকায় ও গুলি করে খুনের অভিযোগ ওঠায় সেই মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মঙ্গলবার কাটোয়া  মহকুমা হাসপাতাল থেকে   বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়।

 মঙ্গলকোটের মাহাত্তুবাপুর গ্রামের শাহ মিরাজ হোসেনের সঙ্গে দশ বছর আগে শাহ রেজিনা বেগমের বিয়ে হয়েছিল। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই  চরম অশান্তি শুরু হয়  সংসারে। তার মধ্যেই এক ছেলে ও এক মেয়ে জন্ম দেন রেজিনা। সেই অশান্তির জেরেই এই নৃশংস খুন বলে জানিয়েছেন রেজিনার আত্মীয় পরিজনরা।

শাহ রেজিনা বেগমের মা জেলেহার বিবি জানান, নাতি নাতনির মুখ থেকে শুনি আমার মেয়েকে প্রথমে গুলি করে তারপরে কাটারি করে কোপ মেরে খুন করে জামাই। আমি চাই তার কঠিন সাজা হোক।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাহ মিরাজ হোসেন পলাতক। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। গুলি করা হয়েছিল কিনা তা ময়না তদন্তে জানা যাবে।

Saradindu Ghosh

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: March 3, 2020, 3:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर