corona virus btn
corona virus btn
Loading

আমফানে লন্ডভন্ড হয়েছে হাজার হাজার পাখির বাসা, পাখিদের ঘরে ফেরাচ্ছেন ওঁরা

আমফানে লন্ডভন্ড  হয়েছে হাজার হাজার পাখির বাসা, পাখিদের ঘরে ফেরাচ্ছেন ওঁরা
চলছে পাখির বাসা বসানোর কাজ।

অমফানে ভেঙেছে গাছপালা থেকে বাড়িঘর। লণ্ডভণ্ড হয়েছে রকমারি গাছগাছালি। উড়ে গিয়েছে পাখিদের তিলে তিলে তৈরি করা নীড়।

  • Share this:

গ্রামবাংলায় ভোরের আলো ফুটতেই পাখির ডাকে ঘুম ভাঙাতো গৃহস্থের।  এ দৃশ্য অনেকটাই  হারিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে নানা কারণে।  অমফানে ভেঙেছে গাছপালা থেকে বাড়িঘর। লণ্ডভণ্ড হয়েছে রকমারি গাছগাছালি। উড়ে গিয়েছে পাখিদের তিলে তিলে তৈরি করা নীড়। দিশেহারা পাখিগুলি একপ্রকার ছন্নছাড়া। কোথায় যাবে, কোথায় বাসা বাঁধবে জানে না। এই ছবিটাই ভাবিয়ে তুলেছিল সঞ্জীব কাঞ্জিলালকে। তাই পাখির বাসা কৃত্রিম ভাবে বানিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।

এরপরই হাবড়া এলাকায় টুনিঘাটার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহযোগিতায় কৃত্রিম পাখির বাসা তৈরি করার কাজ শুরু।পাখির কৃত্রিম  বাসা তৈরি করতে বিচুলি দিয়ে পরিবেশ গড়ে তোলা হয় হাঁড়ির ভিতরে। তেমনি হাঁড়ির মধ্যে দেওয়া হয় রকমারি খাবার। বৃষ্টিতে পাখির বাসায় জল ঢুকতে পারে, এই ভেবে উপরে যেমন ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় হাড়িটাকে। তেমনি জল যাতে হাঁড়ির মধ্যে না জমে থাকে তার জন্য নীচে করে দেওয়া হয় ছিদ্র।দেওয়া হয় খুদ,চানাচুর জাতীয় খাবারও।

পাখির বাসা কাঁধে নিয়ে ছুটতে দেখা গেল মিন্টু হালদার,অনিল কাঞ্জিলাল,অমৃত বিশ্বাস,বিশ্বজিৎ বাগচী,সত্যজিৎ বালাদের। হাবড়া ১নং ব্লকের হাবরার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেল গাছে হাঁড়ি বাঁধা চলল। হাবরা গৌড়বঙ্গ রোড এর পাশে থাকা অশথ্ব গাছ, আম গাছ, কুল গাছ থেকে শুরু করে নিম গাছেও হাঁড়ি বাঁধা হয়।টুনিঘাটা, রুদ্রপুর, সংহতি,ঘোজের মাঠ এলাকায় হাড়ি বাঁধা হয়, পাখিদের কথা মাথায় রেখে। সঞ্জীব কাঞ্জিলাল জানান, সম্প্রতি ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।পাশাপাশি পাখিদের নীড়, বাসা ভেঙে তছনচ হয়েছে।

নতুন করে কোথায় বাসা বাঁধবে, কী ভাবে বাঁধবে তারা এক প্রকার দিশেহারা।তাছাড়া পরিবেশ বাঁচাতে পাখিদেরও প্রয়োজন।নানা দিক ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া। বলাবাহুল্য পরিবেশের কথা মাথায় রেখেই তাঁরা আরও একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। গাছে যাহাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সে কথা ভেবেই কটন সুতার মাধ্যমে ঝুলিয়ে দেয়া হয় গাছে গাছে হাঁড়ি। একের পরে এক স্যাঁতসেতে গাছে উঠে পাখিদের কৃত্তিম বাসা তৈরি করা হয়।

Published by: Arka Deb
First published: June 17, 2020, 5:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर