আমরাই ফিরছি, কালনায় আত্মবিশ্বাসী মমতা, নাম না করে শুভেন্দুদের তোপ

আমরাই ফিরছি, কালনায় আত্মবিশ্বাসী মমতা, নাম না করে শুভেন্দুদের তোপ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র

শুভন্দু-রাজীবদের বাছাই বিশেষণে বিঁধলেন মমতা।

  • Share this:

    #কালনা: লক্ষ্য একুশের ভোট। কালনায় নির্বাচনী সভা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভার শুরুতেই চমক, চন্দননগের পুলিশ কমিশনার পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে হুমায়ুন কবীর যোগ দিলেন তৃণমূলে। শুভন্দু-রাজীবদের বাছাই বিশেষণে বিঁধলেন মমতা।

    দিন কয়েক আগেই নবদ্বীপে সভা করে এসেছেন জে পি নাড্ডা। কালনা-নবদ্বীপের সম্পর্ক তুলে ধরলেন মমতা বক্তব্যের শুরুতেই। বলেন ১১০০ কোটি টাকার ব্রিজ তৈরি করেছি। কালনাকে শান্তিপুরের সঙ্গে যোগ করার জন্য। নবদ্বীপকে হেরিটেজ শহর করে দেওয়া হচ্ছে।মন্দির শহর কালনা নিয়েও ভবিষ্যতে ভাবব।


    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের নির্যাস এখানে তুলে দেওয়া হল-

    দলত্যাগীদের বিষয়ে তোপ

    দুষ্টু গরুর চেয়ে শূণ্য গোয়াল ভালো। তৃণমূলে থেকে তৃণমূলের খারাপ করে যারা তাদের দলে থাকার প্রয়োজন নিয়েছে। যা হয়েছে ভালো হয়েছে। পাপ বিদায় নিয়েছে। বিশ্বাসঘাতকরা কুসন্তান। দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো।

    বিজেপির মনীষী পুজো

    মনীষাদের নিয়ে বিজেপির কোনও ধারণাই নেই। বাংলা সংস্কৃতি বাংলা উৎসব নিয়ে কোনও ধারণাই নেই বিজেপির। চৈতন্য নিয়েও বিজেপি ভুল প্রচার করে। হিন্দু ধর্ম সম্পর্কেও ভুল ধারণা সৃষ্টি করেছে। আমাদের বাবা মা আমাদের শেখায়নি হিন্দু হলে মুসলিমকে ঘৃণা করতে হয়।

    কৃষক আন্দোলন বিষয়

    বর্ধমানের কৃষকরা সোনা ফলান। ট্যাক্স লাগে না জমিতে। আমরা সরাসরি ধান কিনি, চেক দিই। এই ব্যবস্থা ব্যবস্থা চলবে। ৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন ধান কিনি আমরা। তিনটে কৃষি বিলই কালো বিল। আগে থেকে গোডাউন করে রেখেছে। কৃষককে কাঙাল বানিয়ে দিতে চায়। ওই কালো বিল বাতিল করতেই হবে।বিজেপি শুধু মিথ্যে কথা বলে। বলে মমতা বন্দ্যপাধ্যায় টাকা দিচ্ছে না। ধান লুটতে এলে দেবেন না।

    উন্নয়ন তাস

    আপনাদের ধান আমরা কিনব চাষীদের চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। বিনা পয়সায় রেশন পাবেন। ,স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখালেই চিকিৎসা।

    নিরাপত্তা প্রসঙ্গে

    বিজেপির অনেক টাকা। ভোটের আগে টাকা দিচ্ছে। টাকা দিলে মাংস ভাত খাবেন। ভোটের বাক্সে উল্টে দেবেন। ভোর চারটেয় রাস্তায় হাঁটতে পারেন। নিরাপদে এলাকায় থাকতে পারেন। ত্রিপুরার বাঙালিরা কাঁদছে। কাউকে কথা বলতে দেয় না। দিল্লিতে কত লোক মারা গিয়েছে কেউ জানে না। উত্তরপ্রদেশে সাংবাদিকরাও ছাড় পাচ্ছে না। রাজদীপ সারদেশাইকে সেন্সার করা হয়ে।

    তৃণমূলের দুর্নীতি

    অন্যায় কানে আসলে বরদাস্ত করি না। টিকিট দেব না বুঝতে পেরে অনেকে পালিয়ে যাচ্ছে। যারা মানুষের স্বার্থ দেখে না আমি তাদের জন্য নই।

    বিজেপি প্রসঙ্গে

    বিজেপি পার্টি গোজামিল পার্টি ,শুধু মিথ্যা কথা বলে। একটা ভোটও বিজেপিকে নয়।আমরা কৃষকদের নাম পাঠিয়ে দিয়েছি, মোদি বাবু এবার টাকা পাঠান।  বড় গাড়ি গাড়ি তো নয় হোটেল।ফাইভ স্টার হোটেল থেকে খাবার এনে কৃষকের বাড়িতে খায় ,সব লোক দেখানো।শান্তিতে ,স্বস্তিতে ভালোভাবে থাকতে হলে তৃণমূল ই আপনাদের বন্ধু।বিজেপিকে বিদায় দাও আমার দেশ ফিরিয়ে দাও। বাংলার শাসন বাংলার হাতেই থাকবে। গুজরাট থেকে

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর