লন্ডভন্ড দিঘা ফিরবে আগের রূপে! আগে মানুষকে বাঁচাতে একগুচ্ছ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

সবার আগে সেখানকার সাইক্লোন বিধ্বস্ত মানুষের জীবন বাঁচানোই লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর।

সবার আগে সেখানকার সাইক্লোন বিধ্বস্ত মানুষের জীবন বাঁচানোই লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর।

  • Share this:

#দিঘা: শুধুমাত্র তাঁর কেন, প্রতিটা বাঙালির এখন মন খারাপ। বিধ্বস্ত দিঘার ছবি চোখে দেখা যায় না। বাঙালির প্রিয় ঘোরার জায়গার এখন লন্ডন্ড অবস্থা। মুখ্যমন্ত্রী গত কয়েক বছরে দিঘার রূপ বদলে দিয়েছিলেন। দিঘা ও সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ করেছিল মমতার সরকার। কিন্তু একখানা সাইক্লোন সব তছনছ করে দিয়েছে। যদিও বাঙালির সাধের দিঘাকে আবার আগের রূপে ফেরাতে চেষ্টার ত্রুটি রাখতে চান না মুখ্যমন্ত্রী। দিঘা ও দিঘার মানুষদের অসহায় অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীও যেন বাকরুদ্ধ। দিঘা আগের রূপে ফিরবে ঠিকই। তবে সবার আগে সেখানকার সাইক্লোন বিধ্বস্ত মানুষের জীবন বাঁচানোই লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর।

সাইক্লোন ইয়াশেরজেরে পানীয় জল সংকটে ভুগছে বিস্তীর্ণ এলাকা। বন্যা পরিস্থিতিতে জলবাহিত রোগ ছড়ানোর ঝুঁকিও থাকে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে পানীয় জল পাঠানোর ব্যবস্থা করবে দ্রুত। ত্রিশ ফিটের জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন সমুদ্রের পাড় সংলগ্ন দোকানপাট। দিঘার ক্ষতিগ্রস্থ দোকানের মালিকদের ক্ষতিপূরণের কথাও উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিএসডিএ ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা পেতে সমীক্ষা করা শুরু করেছে আজ থেকে। সমুদ্র সংলগ্ন গার্ড ওয়াল আরও বাড়ানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে সেচ দফতরকে বলা হয়েছে দিঘার ভাঙা অংশ সরাতে।

দিঘাকে আগের রূপে ফেরাতে সময় তো লাগবেই। তবে সবার আগে মানুষের জীবন বাঁচাতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী। যেভাবেই হোক, বিধ্বস্ত মানুষের পাশে থাকাই এখন লক্ষ্য রাজ্য সরকারের।

আগামী সাত দিন ভরা কোটাল। ফলে নতুন করে গ্রামে জল ঢুকতে পারে। সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। যাঁরা ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন তাঁদের খাবার দিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বাড়ি ফিরে গেলেও শুকনো খাবার দিতে বলা হয়েছে। একাধিক গ্রামে আজ থেকে ওষুধ দেওয়া শুরু হয়েছে। এদিন মুলত খেজুরি, নন্দীগ্রাম এলাকা পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। আকাশ পথে এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। গোটা পথে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

Published by:Suman Majumder
First published: