corona virus btn
corona virus btn
Loading

আমফানে রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ কোটি মানুষ, ত্রাণ নিয়ে অভিযোগ চান না মুখ্যমন্ত্রী

আমফানে রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ কোটি মানুষ, ত্রাণ নিয়ে অভিযোগ চান না মুখ্যমন্ত্রী
আকাশপথে আমফান বিধ্বস্ত এলাকা দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী

সাধারণ মানুষকে ত্রাণ পৌঁছে দিতে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

  • Share this:

#কাকদ্বীপ: ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে রাজ্যে ৬ কোটিরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এ দিন আকাশপথে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী৷ পরে কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি৷ বর্ষার আগেই ভেঙে যাওয়া রাস্তা এবং বাঁধ সারাইয়ের নির্দেশও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ত্রাণ নিয়ে যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে, সেই নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শুধুমাত্র দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলাতেই ১০ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৭৬ লক্ষ মানুষ৷ উপড়ে গিয়েছে ৪১ হাজারের বেশি বিদ্যুতের খুঁটি৷ ৫৬টি নদীবাঁধও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ তার উপরে, আরও ৩২টি নদী বাঁধে ফাটল ধরেছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ জেলার ৩.২ লক্ষ মৎস্যজীবীও আমফানের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন৷

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে ভেঙে পড়া বাড়ি তৈরি করে দেওয়াই এই মুহূর্তে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর কথায়, রাজ্যের সামনে এখন একসঙ্গে চার চ্যালেঞ্জ রয়েছে৷ সেগুলি হলো করোনা সংক্রমণ সামলানো, লকডাউন, পরিযায়ী শ্রমিকদের দেখভাল এবং ঘূর্ণিঝড় আমফান জেরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পুনর্গঠন৷

সাধারণ মানুষের কাছে জল, বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে বেশি করে জেনারেটর ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ আরও বেশি করে স্থানীয় বাসিন্দাদের একশো দিনের কাজে ব্যবহার করে এলাকা পুনর্গঠনের কাজ শুরু করার পরামর্শ দেন মমতা৷ সাধারণ মানুষকে ত্রাণ পৌঁছে দিতে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

মুখ্যমন্ত্রী এ দিনও বলেন, এতবড় বিপর্যয় তিনি কোনওদিন দেখেননি৷ তবে জেলা প্রশাসন ভাল কাজ করায় অনেক প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে বলে দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনের জন্য রাজ্য সরকারের অর্থ সংস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, করোনার কারণে প্রায় তিন মাস রাজ্যের কোনও আয় নেই৷ তার মধ্যেও দুর্গত মানুষের কাছে রেশন সহ ত্রাণ পৌঁছনো নিয়ে যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে, জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শুক্রবারই রাজ্যে এসে ১০০০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ মুখ্যমন্ত্রী এ দিন জানান, রাজ্যের তরফেও আরও ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ তবে অর্থের যাতে অপচয় না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ পাশাপাশি পড়ুয়াদের স্কুলের পোশাক, বই, জুতো নষ্ট হয়ে গেলে তাদের সাহায্য করার জন্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এর জন্য আলাদা প্যাকেজের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ পাশাপাশি, স্কুল বাড়ি ভাঙলেও দ্রুত সারিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 23, 2020, 3:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर