Mamata Banerjee: 'রাতের পর রাত ঘুমোতে পারি না, আমার কষ্ট কেউ বুঝবে না', আক্ষেপ মমতার

Mamata Banerjee: 'রাতের পর রাত ঘুমোতে পারি না, আমার কষ্ট কেউ বুঝবে না', আক্ষেপ মমতার

ইন্দাসের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

পায়ের চোট নিয়েই হুইলচেয়ারে বসে একের পর এক সভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এ দিনও বাঁকুড়ায় তিনটি সভা করেন তিনি৷

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: এ বারের নির্বাচনে তিনিই সব আসনে দলের প্রার্থী৷ ভোট ঘোষণার আগে থেকেই এই দাবি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আর সম্ভবত সেই কারণেই যেখানেই প্রচারে যাচ্ছেন, নিজের জীবন সংগ্রামকে তুলে ধরছেন তৃণমূলনেত্রী৷ এ দিনও বাঁকুড়ার ইন্দাসের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আক্ষেপের সুরে বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একের পর এক চোট আঘাতে জর্জরিত তাঁর শরীর৷ যন্ত্রণায় অনেক দিনই রাতে ঘুমোতে পারেন না৷ মমতার কথায়, 'কেউ বুঝবে না আমার কষ্ট৷'

    পায়ের চোট নিয়েই হুইলচেয়ারে বসে একের পর এক সভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এ দিনও বাঁকুড়ায় তিনটি সভা করেন তিনি৷ কিন্তু পায়ের চোট সত্যিই কতটা গুরুতর, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বেশ কিছু বিরোধী দলের নেতা৷ এ দিন বাঁকুড়ার ইন্দাসের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমি অনেক কষ্ট করেছি জীবনে৷ জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে আছি৷ রাতের পর রাত ঘুমোতে পারি না৷ কেউ বুঝবেন না আমার কষ্ট৷' নিজের পায়ের চোট কতটা গুরুতর, এ দিন ফের একবার তাও বোঝানোর চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, 'গোড়ালিটা ঘষে গিয়ে ধসে গিয়েছে৷ শিরাগুলো পর্যন্ত কেটে গিয়েছে৷'

    ব্যক্তিগত জীবনেও যে তাঁর কোনও চাহিদা নেই, এ দিন তাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মমতার কথায়, 'আমার টাকা পয়সার কোনও দরকার নেই৷ কোটি কোটি টাকার বাড়ির দরকার নেই৷ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সবমিলিয়ে দু' লক্ষ টাকা মতো মাইনে হয়৷ কিন্তু এক পয়সা নিই না৷ আমি তো অনেক বই লিখি৷ তার থেকে যা পাই, তাতেই আমার চলে যায়৷' স্মৃতিকাতর হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'প্রথমবার যখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলাম, আমার তখন অনেক বয়স কম৷ কিন্তু আমার মা বলেছিলেন, মমতা যেন মমতাই থাকে৷' এ দিনও মুখ্যমন্ত্রী যেন বোঝাতে চাইলেন, পুরোন মমতা বদলায়নি৷ আর নিজের এই অপরিবর্তিত ইমেজকেই নির্বাচনে অস্ত্র করতে চলেছেন তৃণমূলনেত্রী৷ বিশেষত জঙ্গলমহলের চার জেলায় লোকসভায় বিজেপি-র কাছে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে এই মমতা আবেগই সবথেকে বড় ভরসা শাসক দলের৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: