দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মমতার মুখে শুধু অখিলের নাম, গোটা অধিকারী পরিবারকেই উপেক্ষা তৃণমূলনেত্রীর

মমতার মুখে শুধু অখিলের নাম, গোটা অধিকারী পরিবারকেই উপেক্ষা তৃণমূলনেত্রীর
মেদিনীপুরের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ Photo-Facebook

যে অধিকারী পরিবারের হাত ধরে বাম আমলেই পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল আধিপত্য বিস্তার করেছিল বলে দাবি করা হয়, তাঁদের কারও নামই নেননি মমতা৷

  • Share this:

#মেদিনীপুর: শুভেন্দুর নাম নেবেন না প্রত্যাশিতই ছিল৷ কিন্তু মেদিনীপুরের সভা থেকে অধিকারী পরিবারের কারওরই নাম নিলেন না তৃণমূলনেত্রী৷ বরং দলের শুরুর দিনের লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের নেতা অখিল গিরির কথা উল্লেখ করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ যে অখিল গিরি পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনীতিতে শুভেন্দু সহ গোটা অধিকারী পরিবারের বিরোধী শিবিরের নেতা বলেই রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত৷

শুভেন্দুর সঙ্গে সংঘাতের আবহেই এ দিন মেদিনীপুরে মমতার সভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ তুঙ্গে ছিল৷ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে যদিও সরাসরি শুভেন্দুর প্রসঙ্গ টানেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তবে তিনি নাম না করেই পরোক্ষে তিনি যেটুকু বলেছেন সেটাই যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷ বক্তব্যের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই জেলায় দলের দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের কথা মনে করিয়ে দেন কর্মী সমর্থকদের৷ সেই প্রসঙ্গেই কেশপুর, চমকাইতলার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন তৃণমূলনেত্রী৷ মেদিনীপুরের সদ্য প্রয়াত বিধায়ক মৃগেন মাইতির অবদানের কথাও বার বার মনে করিয়ে দেন মমতা৷ আর পূর্ব মেদিনীপুেরর কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'তৃণমূল যখন তৈরি করেছিলাম, আমার মনে আছে প্রথমবার অখিল লড়াই করেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে৷ আমরা জিততে পারিনি, দ্বিতীয় হয়েছিলাম৷'

যদিও যে অধিকারী পরিবারের হাত ধরে বাম আমলেই পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল আধিপত্য বিস্তার করেছিল বলে দাবি করা হয়, তাঁদের কারও নামই নেননি মমতা৷ শুভেন্দু নাম বলবেন না প্রত্যাশিত হলেও তৃণমূলনেত্রীর মুখে শিশির অধিকারীর নামও শোনা যায়নি এ দিন৷ যদিও শিশির অধিকারী কাঁথির সাংসদ হওয়ার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি পদেও রয়েছেন৷ তবে এ দিন পায়ে চোট থাকায় শিশিরবাবু মেদিনীপুরের সভায় উপস্থিত ছিলেন না৷ শুধু তিনি নন, অধিকারী পরিবারের আরও দুই সদস্য তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বা কাঁথি পুরসভার প্রশাসক সৌম্যেন্দু অধিকারীও এ দিনের সভায় গরহাজির ছিলেন৷

রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি বরাবরই শুভেন্দু সহ গোটা অধিকারী পরিবারের বিরোধী বলেই পরিচিত৷ শুভেন্দুর সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি হওয়ার পরও তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই মন্তব্য করেছেন অখিল গিরি৷ এই পরিস্থিতিতে সচেতন ভাবেই মমতা অখিল গিরির নাম উল্লেখ করে গোটা অধিকারী পরিবারকেই কোনও বার্তা দিলেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে৷ শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিচ্ছেদ হয়তো সময়ের অপেক্ষা৷ ফলে অধিকারী পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক কতটা মসৃণ থাকবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে৷ এ দিনের পর তা আরও বাড়ল৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: December 7, 2020, 6:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर