দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

মমতার নজরে জঙ্গলমহল, লোধা-শবরদের জন্যে বিশেষ নজর, চাকরির প্রতিশ্রুতি   

মমতার নজরে জঙ্গলমহল, লোধা-শবরদের জন্যে বিশেষ নজর, চাকরির প্রতিশ্রুতি   
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র

মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিম মেদিনীপুর প্রশাসনিক বৈঠকে মঙ্গলবার উল্লেখ করেছেন, লোধা আর শবরদের জন্য বিশেষ যত্ন নিতে হবে। দেখতে হবে যাতে ওদের কোনও অসুবিধা না হয়।

  • Share this:

#খড়্গপুর: ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে  নজরে জঙ্গলমহল। লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট ব্যাঙ্ক কিছুটা হলেও ধস নামে। সেই জমি পুনরুদ্ধার করতে এবার উন্নয়ন অস্ত্রেই জোর দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই পিছিয়ে পড়া জনজাতিদের উন্নয়নে বিশেষ নজর দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিম মেদিনীপুর প্রশাসনিক বৈঠকে মঙ্গলবার উল্লেখ করেছেন, লোধা আর শবরদের জন্য বিশেষ যত্ন নিতে হবে। দেখতে হবে যাতে ওদের কোনও অসুবিধা না হয়।

মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার প্রশাসনিক সভায় জানিয়েছেন, "মহাশ্বেতা দি মারা যাবার আগে শবরদের নিয়ে অনেক কাজ করতেন। উনি চলে যাবার পরে আমার অনেক দায়িত্ব আছে। শবরদের যাতে কোনও ধরণের অসুবিধা না হয়।" রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, লোধা-শবরদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখে তাদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে নিয়ে আসা হচ্ছে। এছাড়া পঞ্চায়েত দফতরের মাধ্যমে লোধা-শবরদের জন্যে যে ঘর করার কথা বলা হয়েছে, সেগুলি যাতে দ্রুত করতে পারা যায় সেটিও এদিন উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় এই জনজাতিদের নেতা হাজির ছিলেন। তাদের অভাব অভিযোগ এদিন মুখ্যমন্ত্রী তার মাধ্যমেই শুনেছেন। আদিবাসী ও পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকদের এই বিষয়ে সর্বদা নজর দিতে বলেছেন। এদিন শিউলি সাহা সহ তিন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীকে তাদের এলাকায় আদিবাসীদের জন্যে স্কুল তৈরির জন্যে আবেদন জানান। মুখ্যমন্ত্রী জেলাশাসককে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দেন।

এর পাশাপাশি মাওবাদী আন্দোলনের সময় থেকে অনেকে নিঁখোজ হয়ে আছেন। বেশ কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তাদের খোঁজ মেলেনি। ১০ বছর ধরে তদন্ত প্রক্রিয়া এগোলেও এখনও খোঁজ মেলেনি এমন বহুজন আছেন। সেই সমস্ত পরিবারের সদস্যদের একজনকে স্পেশাল হোমগার্ড হিসেবে চাকরি আর আর্থিক ভাবে সাহায্য করছে রাজ্য সরকার।

অন্য দিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলার মোট ৪২৮৪ জন যারা মাওবাদী এলাকায় হোমগার্ড ছিলেন তাদের প্রমোশন দিয়ে কন্সটেবল করা হল৷ অন্যদিকে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের কোথাও হাতির আক্রমণে কেউ মারা গেলে তার পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, "আর্থিক ভাবে সাহায্য করলেও অনেকে কয়েক বছর পরে সব ভুলে যান। আমি মনে রাখি। তাই এদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

পশ্চিম মেদিনীপুর প্রশাসনিক বৈঠকে জেলার একাধিক বিষয়ে তিনি নজর রেখেছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও কাজ ফেলে রাখা যাবে না। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আমি রাজনীতির উপরে উঠে কাজ করছি। সকলের জন্যে কাজ করতে চাই।

Published by: Arka Deb
First published: October 7, 2020, 9:06 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर