'লুঠ-দাঙ্গা-মানুষ খুন, বিজেপির এই তিনটি গুণ', মহিলাদেরও তৈরি হতে বললেন মমতা

'লুঠ-দাঙ্গা-মানুষ খুন, বিজেপির এই তিনটি গুণ', মহিলাদেরও তৈরি হতে বললেন মমতা

এগরার সভায় মমতা।

এদিন ফের একবার মহিলাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হন মমতা। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মেয়েদের পরিস্থিতি নিয়ে মনে করান কয়েকদিন আগেই ঘটে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের হাথরসের ঘটনা।

  • Share this:

    #এগরা: শুক্রবার ফের ম্যারাথন ভোট প্রচারে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের এগরা, পটাশপুর এবং মেচেদার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের অনুপ্রেরণা দিতে দুপুর থেকেই মাঠে নেমে পড়েন তিনি। এদিন এগরায় বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে বিজেপিকে শূন্য করে দেওয়ার ডাক দিয়ে মমতার দাবি, 'বিজেপিতে মহিলারা সুরক্ষিত নন।' তাঁর কথায়, 'লুঠ-দাঙ্গা-মানুষ খুন, বিজেপির এই তিনটি গুণ।'

    এদিন ফের একবার মহিলাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হন মমতা। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মেয়েদের পরিস্থিতি নিয়ে মনে করান কয়েকদিন আগেই ঘটে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের হাথরসের ঘটনা। তাঁর কথায়, 'মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে, প্রকাশ্যে মেয়েটিকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাবা বিচারের আশা করেছিল বলে তাঁকেও মেরে ফেলা হয়েছে। বিজেপির কাছে মহিলারা সুরক্ষিত নন। অসংখ্য মহিলার নানা অভিযোগ রয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে।' মমতার হুঙ্কার, 'এটা বিজেপির জায়গা নয়। বাংলা বাংলায় থাকবে। গোটা বাংলাই আমার ঘর।'

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী প্রচারের সূচনা করেছেন জঙ্গলমহলের জেলাগুলো থেকে। সভা থেকে একের পর এক বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন বার বার। লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহলের কয়েকটি জেলা থেকে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। এ বার সেই জঙ্গলমহলে নিজেদের সর্বশক্তি উজাড় করে দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক জনসভা করছেন জঙ্গলমহলের জেলাগুলোতে।

    ক্ষমতায় ফিরলে বিশেষ করে নারী সুরক্ষায় তাঁদের সরকার জোর দেবেন বলেও একাধিক সভা থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, 'সব মহিলাদের মাসে ৫০০ টাকা করে হাতখরচ দেবে আমাদের সরকার। ক্ষমতায় এলে মহিলাদের জন্য এই প্রকল্প চালু করব।' বাংলার ঘরের মেয়েদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতেও একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা। এগরার সভায় তিনি দাবি করেছেন, 'মা বাবাদের আগে চিন্তা করতে হত মেয়েদের বিয়ের জন্য। এখন আমরা মেয়েদের ১৮ বছর হলে কন্যাশ্রী করলেই ২৫ হাজার টাকা দিই আমরা। রূপশ্রীতেও ২৫ হাজার টাকা পায়। এ বার আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য বছরে ১০ লক্ষ টাকার অ্যাকাউন্ট করে দেব। মাত্র ৪ শতাংশ সুদের হারে। বাবা-মাকে তাঁর পড়াশোনার খরচ চালাতে হবে না।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: