Home /News /south-bengal /
Mahishadal: ছোট্ট ছুটিতে মহিষাদল রাজবাড়ি, কত খরচ? কীভাবে যোগাযোগ করবেন? রইল বিস্তারিত

Mahishadal: ছোট্ট ছুটিতে মহিষাদল রাজবাড়ি, কত খরচ? কীভাবে যোগাযোগ করবেন? রইল বিস্তারিত

রাজবাড়ির আশপাশের গ্রামও ঘুরে দেখা যায়৷ সাত কিলোমিটার দূরে গেঁওখালি নদী তীর আর ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত পর্তুগীজদের গ্রাম মীরপুর ঘুরেও অনেক কিছু দেখা যায়।

  • Share this:

#মহিষাদল: মহিষাদলের প্রাচীণ রথের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে, সারা বছরই পর্যটকদের জন্য রাজবাড়ি ঘুরে দেখার ব্যবস্থা চালু থাকলেও, রথের কয়েকটা দিন রাজকীয়ভাবেই সেজে ওঠে মহিষাদল রাজবাড়ি এবং প্রাসাদ চত্বর। পর্যটকদের জন্য রাজবাড়িতে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থাও চালু থাকে সারা বছরই। রথ এবং পুজো এলে বাড়তি সাজানো গোছানোর ব্যাপার সামনে চলে আসে।

রাজবাড়িতে রাত্রিযাপনের বুকিং সংক্রান্ত ব্যাপারে যোগাযোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। রাজবাড়িতে নিশিযাপন করতে হলে আগে থেকেই বুকিং করে আসা উচিত৷ বুকিং-এর জন্য সরাসরি রাজ পরিবারের বংশধর হরপ্রসাদ গর্গের মোবাইল নম্বরেই ফোন করা যাবে। মোবাইল নম্বর- ৯৮৩০২৭৫৯২৮

মহিষাদল রাজ পরিবারে ফুলবাগ প্যালেসে তিন ধরনের রুম রয়েছে পর্যটকদের থাকার জন্য। প্রতিটি রুমই এসি যুক্ত। টিভি এবং আলাদা আলাদা বাথরুম রয়েছে রুমগুলিতে। প্রাচীন আমলের ঘরদালান, রাজার পালঙ্ক-র আদলে সাজানো হয়েছে পর্যটকদের রুমগুলি, যার ভাড়া যথাক্রমে ৮ হাজার, ৬ হাজার, ৩ হাজার এবং ২ হাজার টাকা৷ সঙ্গে মিলবে ব্রেকফাস্ট৷ লাঞ্চ ও ডিনার করতে হলে আগে থেকে জানালে রাজবাড়ির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করা হয়। খাওয়া যাবে শ্বেতপাথরের টেবিলে কাঁসার থালা-বাসনে।

হরপ্রসাদ গর্গ বলেন, পর্যটকদের বাড়তি ভিড়ের কথা মাথায় রেখেই আরও উন্নয়ন করা যাবে। পর্যটকদের জন্য রাজবাড়ির দেওয়ালে দেওয়ালে সাঁটানো রয়েছে মহিষাদল রাজবংশের ইতিহাস, যেখানে উল্লেখ রয়েছে-ষষ্ঠদশ শতকে জনার্দন উপাধ্যায় প্রথম এই রাজবাড়িটি তৈরি করেছিলেন। রাজ বংশধরদের পুরনো অনেক কথাই লেখা রয়েছে। যা জানতে চায় উৎসুক পর্যটকরা। কলকাতা থেকে খুব দূরে নয়, তাই সপ্তাহান্তের ছুটিতে কাছেপিঠে বেড়ানোর জন্য ঘরের কাছের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে মহিষাদল রাজবাড়ি বেশ পছন্দের। রাজবাড়ির তথ্যসমূহ জানা এবং প্রাচীণ নিদর্শন দেখার সুযোগ মিলে সংগ্রহশালায়।

মহিষাদল রাজবাড়িতে এখন তিনটি প্রাসাদ রয়েছে। প্রথমে রঙ্গিবসান(এটি হটাৎ করেই ভেঙে পড়েছে) এবং দ্বিতীয় লালকুঠিতে প্রবেশাধিকার নেই৷ তৃতীয় ফুলবাগেই পর্যটকদের জন্য থাকার ব্যবস্থা আছে। পর্যটকদের রাত্রিবাসের জায়গা ফুলবাগ রাজ প্রাসাদের চওড়া দালান। কড়িকাঠের সিলিং। কারুকার্য করা দরজা জানলা। তাতে রয়েছে পুরনো দিনের খরখরি। উঁচু ছাদে লাগানো রয়েছে ঝাড়বাতি। রয়েছে ছোটো বড় কামান। উঁচু কামান পোঁতাও রয়েছে। এককালে দুর্গাপুজোর সময় এই কামান দাগা হত। এখন আর সে-সব হয় না। রয়েছে দুর্গা মণ্ডপ। কয়েকশো একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা আম্রকুঞ্জ, বড়-বড় দিঘি। কাছেই রয়েছে গান্ধী কুটির, প্রয়াত দুই স্বাধীনতা সংগ্রামী সতীশ চন্দ্র সামন্ত এবং সুশীল ধাড়ার বাসভুমিও রয়েছে। মহিষাদল রাজ কলেজ, রাজ হাইস্কুল, রাজবাড়ির কুলদেবতা গোপালজিউ মন্দির, রাজ পরিবারের শিকার করার হাতিয়ার, শিকার করা পশুপাখি, বাঘ, সিংহও দেখতে পাওয়া যাবে৷ এই রাজবাড়িতেই একটা মিউজিয়ামও রয়েছে। রাজবাড়ির আশপাশের গ্রামও ঘুরে দেখা যায়৷ সাত কিলোমিটার দূরে গেঁওখালি নদী তীর আর ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত পর্তুগীজদের গ্রাম মীরপুর ঘুরেও অনেক কিছু দেখা যায়।

SUJIT BHOUMIK
Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Mahishadal

পরবর্তী খবর