মধ্যমগ্রামে স্বীকৃতি সম্মানে এসে তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ, শুনলেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক

মধ্যমগ্রামে স্বীকৃতি সম্মানে এসে তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ, শুনলেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক

দলের কর্মীর অভিযোগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের আচার ব্যবহারে অসন্তুষ্ট তাঁরা

  • Share this:

#কলকাতা: ঘুমিয়ে পড়া কর্মীদের জাগাতে স্বীকৃতি সম্মানে এসে তৃণমুল কর্মীরা ক্ষোভ উগড়ে দিলেন বিধায়কের কাছে। প্রশান্ত কিশোরের টোটকা মেনেই এখন স্থানীয় স্তরে সংগঠন বাড়াতে ও পুরনো কর্মীদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিচ্ছে তৃণমূল৷ আর সেই পরিকল্পনা মতোই এদিন উত্তর ২৪ পরগনায় লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে তৃণমূলের সবচেয়ে নিরাপদ আসন, মধ্যমগ্রাম বিধানসভায় অনুষ্ঠিত হল স্বীকৃতি সম্মান। মধ্যমগ্রামের মাইকেল নগরে ২০ জন কর্মীকে নিয়ে আলাদা বৈঠক করেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ। সেই বৈঠকে কর্মীদের মধ্যে দু’ধরনের ক্ষোভের প্রকাশ দেখা যায় এদিন।

জনা পাঁচেক কর্মীর দাবি, তাঁরা দলে সক্রিয়। তবু তাদের নিস্ক্রিয় কর্মী বলে দেগে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আর দলের কর্মীর অভিযোগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের আচার ব্যবহারে অসন্তুষ্ট তাঁরা। এলাকায় শিব মন্দির তৈরীতে কাউন্সিলর শেষ কথা বলবেন এমন মনোভাব নিয়ে দলের পুরনো কর্মীদের কোনঠাসা করা হয়েছে বলেও বিধায়ককে সরাসরি জানান এই পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডে তৃনমুল কর্মী বিপুল ব্যানার্জি। আবার নয় নং ওয়ার্ডের কর্মী বিনন্দ দাস অভিযোগ করেন, ১৯৯৮ সাল থেকে তাঁরা দল করছেন। গত বিধানসভার পর তাঁদের মারধর করে দলের একটা অংশ। তারপর থেকে তৃনমুল ৯ নং ওয়ার্ডে পিছিয়ে পড়েছে। কিন্তু এত দিন কেউ তাঁদের কথা শোনেনি। আজ তাই ওয়ার্ডে দলের হাল সবিস্তারে শুনিয়ে দিলেন বিধায়ককে। ১৫ ওয়ার্ডের দিলীপ শর্মার আবার অভিযোগ অন্য রকম। তিনি বলেন, সিপিএম থেকে আসা কর্মীরা দলের প্রথম সারিতে। তাঁরাই আখের গোছাচ্ছেন। আর দলের কেউ সেই কাজে বাধা দিচ্ছে না। বরং তাদের মতো পুরানো বিশ্বস্ত কর্মীদের দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে ঘন্টা খানেকের এই সভায় ক্ষোভের প্রকাশ ছিল অনেকটাই। তবে সভা শুরু আগে বিধায়ক সকলকেই উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান। সব ক্ষোভ শুনে মধ্যমগ্রামের বিধায়কের একটাই উত্তর, এসব তাঁকে আগে জানাননি কেন কর্মীরা?

RAJARSHI ROY
First published: March 15, 2020, 11:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर