corona virus btn
corona virus btn
Loading

৬ বছরেই সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন মধ্যমগ্রামের তানি-মুনি, খুদে যমজের গানে মুগ্ধ নেটিজেনরা

৬ বছরেই সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন মধ্যমগ্রামের তানি-মুনি, খুদে যমজের গানে মুগ্ধ নেটিজেনরা
তানি-মুনি

ভাল নাম শ্রেয়া দত্ত আর সৃস্টি দত্ত। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়র দেবাশিস দত্তের দুই মেয়ে।

  • Share this:

#মধ্যমগ্রাম: ঠাকুমা ভালবেসে নাম রেখেছিলেন তানি আর মুনি। তা সে বছর ছয়েক আগের কথা। ছোট থেকে গান শুনলে চুপ করে যেত দু'জনেই। বছর তিনেক আগের এক দিনের কথা। সেদিন মধ্যমগ্রামে মায়ের কোলে শুয়ে ফোনে বাবার গলায় 'প্যায়ার মাঙ্গা হ্যায় তুমহি সে..'কিশোর কুমারের গান শুনে মশগুল হয়ে গিয়েছিল দুই বোন। এমনকি বাবার গলায় গান শুনে তারা নাকি নিজেরাই নকল শুরু করেছিল।

ভাল নাম শ্রেয়া দত্ত আর সৃস্টি দত্ত। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়র দেবাশিস দত্তের দুই মেয়ে। কর্মসূত্রে তিন বছর আগে তিনি তখন ব্যাঙ্গালুরুতে। স্ত্রীর কাছে জানতে পারেন, ফোনের ওপারে তাঁর গানের গলা নকল করে ফেলেছে দুই মেয়ে। আদ আদ মিঠে সুরে মোহিত তখন দেবাশিস। সুপ্ত বাসনা বারবার ফিরে আসতে লাগল। শহরে ফিরেই দুই মেয়েকে গান গেয়ে শোনাতে লাগলেন। সা রে গা মা পা-এর ধারাপাত না জানা দুই সন্তান সহজেই রপ্ত করে ফেলল একের পর এক গান।

নিজে গায়ক হওয়া স্বপ্ন দেখলেও তা হয়ে ওঠেনি নানা কারণে। কিন্তু সন্তানদের এই প্রতিভা তিনি মানুষের সামনে আনতে চেয়েছিলেন। তাই গত বছর দুর্গাপুজোয়  আবাসনের অনুষ্ঠানে তানি-মুনিকে গান গাওয়ার জন্য স্টেজে তুলে দেন। ব্যস...

দুই খুদের গান শুনে সকলে তখন বাকরুদ্ধ। প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন সবাই। আর তাতেই আস্থা বেড়ে যায় দেবাশিসের। দুই মেয়ের গান রেকর্ড করতে শুরু করেন। লকডাউনের অবসরে ফেসবুক ও ইউটিউবে আপলোড করে দেন যমজের গান। তারপর থেকেই তানি আর মুনি সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন।

গর্বিত বাবার কথায়, এখন তানি-মুনি গান আপলোড করার আপেক্ষায় থাকেন দর্শক। সরল দুই বোনের খুনসুটি ভরা পারফরমেন্স সকলে সানন্দে গ্রহণ করেছেন।  শ্রেয়া দত্ত অর্থাৎ তানি, বড় হয়ে সিঙ্গার আর ডাক্তার হতে চায়। বারাসত ডাকবাংলো মোড়ের বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়া দুই বোন। তবে মুনি শুধুই সিঙ্গার হতে চায়। ইতিমধ্যের দুই মেয়েকে গানের তালিম দেওয়া শুরু করেছেন দত্ত দম্পতি ।

দেবাশিসের  কথায়, যতই ভালবেসে গান গাইতে শিখুক, ক্লাসিক্যালে তালিম না নিলে বড় গায়ক হওয়া যায় না। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে জনপ্রিয় দুই মেয়েকে এখনই কোনও স্টেজ প্রোগ্রামে নিয়ে যেতে নারাজ নন। বরং মন দিয়ে পড়াশোনা আর গান শিখুক দু'জনে। তাঁর কথায়, "সময় ওদের পথ চেনাবে, লাইম লাইটে যেন পথভ্রষ্ট  না হয়-বাবা হয়ে এটাই একমাত্র প্রার্থনা।"

RAJARSHI ROY

Published by: Shubhagata Dey
First published: July 6, 2020, 9:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर