#কলকাতা: তিনি ছিলেন, না থাকার মতো। ফের তিনি হাজির। হাজির ভোটের ময়দানে। অর্জুন সিংয়ের ভাটপাড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজি মদন মিত্র। অর্জুনের পাড়া থেকেই প্রচার শুরু মদনের। অনেকে বলছেন, মদন মিত্র ইজ ব্যাক। ভাটপাড়া বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা, মদন মিত্রের কাছেও অপ্রত্যাশিত। ২০০৯ সালে বিষ্ণুপুর পশ্চিম কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জিতে প্রথমবার বিধায়ক হন তৃণমূলের মদন মিত্র৷ ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় বইতে শুরু করা পরিবর্তনের হাওয়া আরও গতি পেয়েছে কি না তাঁর মস্ত পরীক্ষা ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই অকাল ভোট। সেখানে মদন মিত্রের উপরই ভরসা রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের দুজনের এই সখ্যের শুরু, যখন দুজনেই কংগ্রেসে, তখন থেকে।
রাজনীতিতে মদন মিত্রের হাতেখড়ি ছাত্রজীবনে। আশুতোষ কলেজে পড়ার সময়।তাঁর রাজনীতির বৃত্তটাও ঘুরেছে ভবানীপুর, যদুবাবুর বাজার, হরিশ মুখার্জি রোড, এসএসকেএম হাসপাতাল - এই তল্লাটে। এখানেই মদন মিত্রের সংগঠনের শিকড়। তার উপর ভিত্তি করেই তিনি কংগ্রেসের যুব নেতা হিসেবে উঠে আসেন। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে মদন মিত্রকে৷ ২০১১ সালে তিনি কামারহাটি থেকে বিধায়ক হন৷ ক্রীড়া ও পরিবহণমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলান৷ এ সবেরই মাঝে কাঁটা হয়ে ওঠে সারদা। সারদা মামলায় জেলে যেতে হয় মদন মিত্রকে। ২০১৬ সালে তিনি নিজের খাসতালুক কামারহাটি থেকেই হারেন। তারপর ধীরে ধীরে কোণঠাসা। সেই মদন মিত্রই হঠাৎ করে ফের শিরোনামে। আবার তিনি ভোটযুদ্ধের ময়দানে।
মদন মিত্রের কুরুক্ষেত্র এবার ভাটপাড়া। সেই ভাটপাড়া, যেখানকার দাপুটে নেতা অর্জুন সিং কয়েক দিন আগে তৃণমূলে ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছেন। সে কারণেই ভাটপাড়ায় অকাল ভোট। অর্জুন সিংয়ের খাসতালুকে তৃণমূলের বাজি এবার মদন মিত্র। এদিন চার বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হবিবপুরে তৃণমূল প্রার্থী অমল কিস্কু৷ ইসলামপুরে আবদুল করিম চৌধুরী৷ ভাটপাড়ায় মদন মিত্র৷ এবং দার্জিলিঙে বিনয় তামাংকে সমর্থন করবে তৃণমূল। বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে কংগ্রেসও।
নিউজ১৮ বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে দৈনিক টাটকা খবর, খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে ভরসাযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন নিউজ১৮ বাংলার ওয়েবসাইটে।
Tags: Madan Mitra, TMC