• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • মাছখান্ডা হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রের উদ্যোগে খাবার ও খাদ্য সামগ্রী পেল দরিদ্র গ্রামবাসীরা

মাছখান্ডা হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রের উদ্যোগে খাবার ও খাদ্য সামগ্রী পেল দরিদ্র গ্রামবাসীরা

এদিন রান্না করা খাবার ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বর্ধমান জেলা রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন

এদিন রান্না করা খাবার ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বর্ধমান জেলা রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন

এদিন রান্না করা খাবার ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বর্ধমান জেলা রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন

  • Share this:

#বর্ধমান: রান্না করা খাবার পেলেন বর্ধমানের মাছখান্ডা গ্রামের দরিদ্র বাসিন্দারা। সেইসঙ্গে জুটলো কয়েক দিনের খাদ্য সামগ্রীও। তাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে এলেন মাছখান্ডা হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র আবদুল মালেক। বেঙ্গল রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী সভাপতি আবদুল মালেক মাছখান্ডা হাইস্কুলের বর্তমান সভাপতি। তাঁর উদ্যোগে এদিন রান্না করা খাবার ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বর্ধমান জেলা রাইস মিলস অ্যাসোসিয়েশন। সংস্হার সদস্য রাইস মিল মালিকরা উপস্থিত থেকে দরিদ্র গ্রামবাসীদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। রান্না করা খাবার ও কয়েক দিনের রসদ পেয়ে খুশি গ্রামবাসীরা।

মাছখান্ডা গ্রামের সঙ্গে আবদুল মালেকের যোগ ছোটবেলায় ছাত্রাবস্থা থেকেই। শিল্পপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর সেই স্কুল ও গ্রামের উন্নয়নে কিছু কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি স্কুলের সভাপতি হন। তাঁর উদ্যোগেই স্কুলে তৈরি হয়েছে পরিশ্রুত পানীয় জল প্রকল্প। স্কুলের চাহিদা মিটিয়ে গ্রামবাসীদেরও সেই জল সরবরাহ করা হয় নিখরচায়। আবদুল মালেক বলেন, এলাকায় অনেক পরিবার আছেন যাঁরা দৈনিক পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল। লক ডাউনের জেরে কাজ বন্ধ। তাই উপার্জনও বন্ধ। এরকম বেশ কিছু পরিবারে খাদ্য সামগ্রী শেষ হয়ে গিয়েছে বলে খবর আসছিল। তখনই তাদের খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার কথা মনস্থির করি। এমনিতেই বর্ধমান জেলা রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিদিন এক হাজার ব্যক্তিকে রান্না করা খাবার দিচ্ছে। আমরা একদিনের খাবার এই গ্রামের বাসিন্দাদের দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। সেইমতো এদিন খাবার পরিবেশন করা হল। এছাড়াও গ্রামের তিনশো দরিদ্র পরিবারের হাতে চাল ডাল আলু তেল সাবান তুলে দেওয়া হয়। লক ডাউন দীর্ঘ হলে দরিদ্র বাসিন্দাদের কাছে আমরা আবারও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্হা করবো।

রায়নার বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই বলেন, রায়না বিধানসভার এক ও দুই নম্বর ব্লকে প্রতিদিন দুঃস্থ ও গরিব খেটে খাওয়া মানুষদের দুবেলা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে তাদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও গরিব মানুষদের জন্য বেলসর মোড়ে বিধায়কের অফিস থেকেও খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি জানান, লকডাউন পরিস্থিতিতে মানুষ কোনও কাজ করতে পারছেন না। কিন্তু কিছু উপায়ও নেই। করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর এটাই একমাত্র পথ। তাই এই সময় এলাকার বাসিন্দারা যাতে খাদ্যসামগ্রী পেতে কোনও সমস্যার না পড়েন তা দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী সবার জন্য দুবেলা খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রেখে চলেছি। আবদুল মালেক সহ রাইস মিল মালিকদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: