• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Birbhum Lynching Death: বীরভূমে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন! মৃত্যুর কারণ ঘিরে ব্যাপক রাজনৈতিক চাপানউতোর

Birbhum Lynching Death: বীরভূমে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন! মৃত্যুর কারণ ঘিরে ব্যাপক রাজনৈতিক চাপানউতোর

বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের বিজেপির 'এ' মণ্ডল বুথের সহ-সভাপতি মিঠুন বাগদির মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বীরভূমে।

বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের বিজেপির 'এ' মণ্ডল বুথের সহ-সভাপতি মিঠুন বাগদির মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বীরভূমে।

বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের বিজেপির 'এ' মণ্ডল বুথের সহ-সভাপতি মিঠুন বাগদির মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বীরভূমে।

  • Share this:

#খয়রাশোল: বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের বিজেপির 'এ' মণ্ডল বুথের সহ-সভাপতি মিঠুন বাগদির মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বীরভূমে। বিজেপির অভিযোগ, তাদের বুথ সহ-সভাপতিকে পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই, সম্পূর্ণটাই পারিবারিক বিবাদ।

শনিবার বিজেপি কর্মী মিঠুন বাগদির মৃতদেহ উদ্ধার হয় বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের কাঁকড়তলা থানার অন্তর্গত নবসন গ্রামে। জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে ওই গ্রামের কিছুটা দূরে ২৭ বছর বয়সী তৃণমূল কর্মী রাজু বাগদি নামে এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় নাম জড়ায় মিঠুন বাগদির। রাজুর পরিবারের সদস্যরা মিঠুনের নামে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এরপর তদন্তে নেমে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তিন মাস পর জামিন পেয়ে সম্প্রতি বাড়ি ফেরে মিঠুন। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে রাজু বাগদির পরিবারের বেশ কিছু লোক উত্তেজিত হয়ে মিঠুন বাগদিকে পাকড়াও করে তাকে বেধড়ক মারধর করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় মিঠুন বাগদিকে উদ্ধার করে নাকরাকোন্দা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। তবে সেখানে চিকিৎসকেরা দেখে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রসঙ্গে বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার দাবি, "আমাদের বিজেপি নেতাকে পরিকল্পিতভাবে কিছু লোক আক্রমণ করে। পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। গতকাল মিঠুন থানা থেকে মোটরবাইক আনতে গেলে সেই সময় তাঁকে আক্রমণ করা হয়। যারা এই ঘটনার সাথে যুক্ত তারা প্রত্যেকেই তৃণমূল কর্মী সমর্থক।" তবে এই মৃত্যুর ঘটনা নিছক পারিবারিক, দাবি তৃণমূলের। রাজনীতিকে টানার জন্য তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় ধ্রুব সাহার বক্তব্যকে চরম নিন্দা করে জানিয়েছেন, "ঘটনাটি জলের মত পরিষ্কার। এটা সম্পূর্ণ পারিবারিক বদলা।"

ঘটনার পর পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ইতিমধ্যেই মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে ৪ মহিলা এবং একজন পুরুষ, যারা প্রত্যেকেই রাজু বাগদির পরিবারের সদস্য। ধৃতদের দুবরাজপুর আদালতে পেশ করা হয়। পাশাপাশি কাঁকরতলা থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ঘটনাস্থলে। অনিল বাগদিকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত ও বাকি চার জন মহিলাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন দুবরাজপুর আদালতের বিচারক।

Supratim Das

Published by:Shubhagata Dey
First published: