• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • পূর্ব বর্ধমানে চাঁদা তুলে বেহাল রাস্তা সংস্কার শুরু করলেন স্থানীয় বাসিন্দারাই

পূর্ব বর্ধমানে চাঁদা তুলে বেহাল রাস্তা সংস্কার শুরু করলেন স্থানীয় বাসিন্দারাই

পঞ্চায়েতের ওপর আর আস্থা নেই। বারবার বলাতেও কাজ হয়নি। তাই এবার চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বেলডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা।

পঞ্চায়েতের ওপর আর আস্থা নেই। বারবার বলাতেও কাজ হয়নি। তাই এবার চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বেলডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা।

পঞ্চায়েতের ওপর আর আস্থা নেই। বারবার বলাতেও কাজ হয়নি। তাই এবার চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বেলডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা।

  • Share this:

#বর্ধমান: পঞ্চায়েতের ওপর আর আস্থা নেই। বারবার বলাতেও কাজ হয়নি। তাই এবার পঞ্চায়েতের মুখাপেক্ষী না থেকে,  চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার বেলডাঙা গ্রামের   বাসিন্দারা।

বর্ধমান জেলার  ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলডাঙ্গা গ্রামের মানুষজন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ভাঙা, জরাজীর্ণ, বিপজ্জনক রাস্তাতেই যাতায়াত করছিলেন। তাঁদের আশা ছিল, গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে হয়তো তাঁদের গ্রামের কাঁচা রাস্তা একদিন পাকা হবে। অন্তত তা ঢালাই রাস্তায় পরিণত হবে। অভিযোগ, দশ বছর ধরে আবেদন-নিবেদনে শুধু আশ্বাস মিলেছে। কাজের কাজ কিছু হয়নি।

এবছরও বৃষ্টিতে  গ্রামের রাস্তার অবস্থা বেহাল। কাদা রাস্তায় হাঁটা দায়। তাই আর অপেক্ষায় না থেকে চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কারে এগিয়ে এলেন গ্রামের বাসিন্দারাই। গ্রামবাসী ছোট্টু প্রমাণিক জানান, '' আমরা গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য  গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, বিধায়ক সকলকেই জানিয়েছিলাম। কোনও ফল হয়নি। তাই অবশেষে আমরা নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার করতে শুরু করলাম।''

২০১০ সালে একবার রাস্তায় মোরাম দেওয়া হয়েছিল। তারপর থেকে গ্রামের রাস্তার কোন কাজ হয়নি বলে গ্রামবাসীদের দাবি। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরেশ চক্রবর্তী জানান, '' ওই গ্রামের রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ শুনেছি। গ্রামের মানুষজন ও পঞ্চায়েত সদস্য আমাকে বলেছিল গ্রাম থেকে কৃষিজমিতে  যাওয়ার জন্য তাঁদের একটি সেতু করে দিতে হবে। সেই সেতু তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে গ্রামের মানুষজন রাস্তা সংস্কার করতে হবে বলে দাবি জানায়। কিন্তু নতুন করে কোনও স্কিম না এলে গ্রামের রাস্তা করা যাবে না।'' উন্নয়নে গতি আনার কথা বলছে জেলা প্রশাসন। একশ দিনের কাজকে উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রতি গ্রামে এক কিলোমিটার করে ঢালাই রাস্তা করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ। আগেও এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। তারপরও একটি গ্রামের মাটির রাস্তা ১০  বছরে কেন পাকা হল না ?  প্রশ্ন তুলেছেন গ্রামবাসীরা। ওই রাস্তা কেন উন্নয়ন প্রকল্পের বাইরে থেকে গেল তা দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: