চলছে লকডাউন, বিনামূল্যে দুঃস্থদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছে সিউড়ি পুলিশ

বর্তমানে প্রায় ২০০ জন গরীব মানুষদের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীকালে আরও খাবারের প্যাকেটের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

বর্তমানে প্রায় ২০০ জন গরীব মানুষদের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীকালে আরও খাবারের প্যাকেটের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

  • Share this:

Supratim Das

#বীরভূম: বীরভূম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আংশিক লকডাউনে সিউড়িতে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষদের জন্য দুপুরের খাবার বিলি। সিউড়ি বাসস্টান্ডের সামনে খাবার বিলি করা হল স্পেশ্যাল ক্যাম্প করে। বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই রাজ্যে শুরু হয়েছে আংশিক লকডাউন। তার জেরেই বন্ধ কিছু মানুষের কাজকর্ম। লকডাউনের আগেই বাড়ি ফিরেছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিকরা। নেই কোনও কাজ , তালা ঝুলছে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দরজায়। অনেকে যাঁরা টোটো, রিকসা বা অটো চালান তাঁরা পড়েছেন অসুবিধায়। ফলত যাঁরা দিন আনে, দিন খাই, তাঁদের পড়তে হচ্ছে অসুবিধায়। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের এই অভিনব প্রয়াস।

ঘড়ির কাটায় ঠিক ১০ টা বাজতেই একদিকে পুলিশ বেরিয়ে পড়ছে সিউড়িতে খোলা দোকানপাঠ বন্ধ করতে, অন্য দিকে রান্না চাপছে পুলিশের হেঁসেলে। একদিকে চালাচ্ছেন সচেতনতার কাজ, তো অন্য দিকে পুলিশ ব্যাস্ত আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের ভাতের জোগাড় করতে। এই খাবার বিলির উদ্বোধন করলেন বীরভূমের এস পি নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি। তিনি এই দুঃস্থ মানুষদের হাতে খাবারের প্যাকেট তুলে দেন । তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান , বর্তমানে প্রায় ২০০ জন গরীব মানুষদের হাতে খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীকালে আরও খাবারের প্যাকেটের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এ ছাড়াও তিনি আরও জানান যে, যতদিন লকডাউন চলবে ততদিনই চালানো হবে এই খাদ্য বিতরণ ক্যাম্প।

জেলার বিভিন্ন জায়গায় এই ব্যাবস্থা করা হবে আগামী দিনে। এই খাবার নিতে আসেন অনেক দুঃস্থ মানুষে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব রেখে একটি করে খাবারের প্যাকেট ও মাক্স নিয়ে বাড়ি যান তাঁরা। সিউড়িবাসী বীরভূম জেলা পুলিশের এই অভিনব ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ও সিউড়িবাসী হিসেবে পাশে থাকার কথা বলেছেন। এই খাবারের প্যাকেট পেয়ে একটু হলেও চিন্তা মুক্ত বহু গরীব মানুষ। তাঁরা সবাই খুব উপকৃত ও আপপ্লুত এই আয়োজনে । এইভাবে পুলিশ তাঁদের পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন তাঁরা। আগামী দিনেও যে কোনও ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এমন ভাবেই পুলিশ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে এমনটাই আশাবাদী মানুষ।

Published by:Simli Raha
First published: