কলকাতা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে দেউলঘাটা, পুজোর ছুটিতে নিশ্চিন্তে কাটান ৪ দিন

কলকাতা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে দেউলঘাটা, পুজোর ছুটিতে নিশ্চিন্তে কাটান ৪ দিন

যেখানে চৌকাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ইতিহাস। পোড়ামাটির শরীর জুড়ে হাজার বছরের জরা। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গল্পরা শ্রোতা খোঁজে নিরন্তর।

  • Share this:

#দেউলঘাটা: গায়ে জড়িয়ে থাকা আগাছায় ইতিহাসের হাতছানি। প্রকৃতির কোলে এক অপার নিঃস্তব্ধতা। কংসাবতীর জলে পা ডুবিয়ে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার ঠিকানা। শহরের পুজোর হুল্লোর ছাপিয়ে কিছুটা দূরেই রুখা-শুখা লালমাটির দেশে এক অন্য ছুটি উদযাপন। রহস্যঘেরা রূপ নিয়ে পর্যটকের অপেক্ষায় পুরুলিয়ার জয়পুর থানার দেউলঘাটা।

এ এক মন্দিরের গল্প। যেখানে চৌকাঠে দাঁড়িয়ে থাকে ইতিহাস। পোড়ামাটির শরীর জুড়ে হাজার বছরের জরা। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গল্পরা শ্রোতা খোঁজে নিরন্তর।

পুরুলিয়া শহর থেকে তেত্রিশ কিলোমিটার দূরে দেউলঘাটা। জয়পুর ও আড়শা ব্লক সীমানা ছুঁয়ে বয়ে যাওয়া কংসাবতীর তীরে যেন থমকে আছে সময়। নবম-দশম শতাব্দীর দুটি পোড়া মাটির মন্দিেরর ধ্বংসস্তূপ। একটি মন্দির আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু প্রাচীন মূর্তি। তার মধ্যেই রয়েছে কালো পাথরের দশভূজা।

featured-image-deulghata-800x4500

রাঢ় বাংলায় কোথা থেকে এল পাথরের দশভূজা? কারও মতে, দেশের অন্যতম প্রাচীন দুর্গা মূর্তি এটি। হাজার হাজার প্রশ্ন আজও উত্তর খোঁজে দেউলঘাটায়। নিখাদ ছুটি কাটাতে কিংবা ইতিহাসের টানে আসতেই পারে দেউলঘাটা। পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন হোটেল ছাড়াও দেউলঘাটায় থাকার জন্য রয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের গেস্ট হাইস ও মন্দিরের অতিথি নিবাসে।

পুজোর গন্ধমাখা নির্জন প্রকৃতি। নাম না জানা পাখির ডাক। কংসাবতীর জলে পা ডুবিয়ে হঠাৎ করে নিজের সঙ্গে দেখা। এক বুক নিঃসঙ্গতা নিয়ে অপেক্ষায় দেউলঘাটা।

কীভাবে যাবেন..

--কলকাতা থেকে হাওড়া চক্রধরপুর ট্রেনে পুরুলিয়া

--পুরুলিয়া শহর থেকে গাড়ি করে চাষমোড় হয়ে জয়পুরের দেউলঘাটা

--কলকাতা থেকে গাড়িতে গেলে দ্বিতীয় হুগলি সেতু-কোনা এক্সপ্রেসওয়ে

--ডানকুনি-সিঙ্গুর হয়ে বর্ধমান থেকে পুরুলিয়া

--দেউলঘাটায় থাকার জন্য পঞ্চায়েতের গেস্ট হাইস ও মন্দিরের অতিথি নিবাস

--দেউলঘাটায় থাকার জন্য যোগাযোগ ৭৩৬২৯৩০৭৭৩

First published: 05:17:37 PM Sep 14, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर