পুলিশের লাঠির বদলে গোলাপ ফুল, বামদের বিক্ষোভে আজ এই দৃশ্য দেখল হাওড়া

রাজনৈতিক বিক্ষোভ মানেই উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্চ বা পুলিশের ওপর হামলা। আজ যেন উলটপুরাণ

রাজনৈতিক বিক্ষোভ মানেই উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্চ বা পুলিশের ওপর হামলা। আজ যেন উলটপুরাণ

  • Share this:

#হাওড়া: রাজনৈতিক বিক্ষোভ সমাবেশ মানেই উত্তেজনা, পুলিশের ওপর হামলা, পাল্টা পুলিশের লাঠিচার্চ, আহত রাজনৈতিক কর্মী ও পুলিশ কর্মীরা। হ্যা এটাই এতদিন হয়ে এসেছে তবে আজ হল একটু অন্যরকম। বিক্ষোভ শেষ হল গোলাপ ফুল বৃষ্টিতে, সৌজন্যে বামেদের হাওড়া পুরসভার সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ।

সকাল থেকেই মঞ্চ বেঁধে চলছে বিভিন্ন ইস্যু বিক্ষোভ। গোটা এলাকা জুড়ে পুলিশ। একটা মাছি গলার উপায় নাই। মঞ্চ থেকে বাম নেতাদের, কর্মীদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়েছিল কোন রকম উত্তেজনা না ছড়ানোর জন্য। কিন্তু পুলিশ তো নাছোড়বান্দা, কিছুতেই বাম নেতাদের কোথায় আমল দিতে নারাজ। দীর্ঘক্ষণ হাওড়া পুরসভা ঢোকার রাস্তা লোহার ব্যারিকেড দিয়ে লাঠি উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে। অপেক্ষায় কখন হামলা চালাবে বাম সমর্থকরা। কয়েক ঘণ্টা পুলিশের এমন প্রস্তুতি দেখে বাম কর্মীরা ঠিক করেন তাদের আটকাতে পুলিশ সকাল থেকে পরিশ্রম করেছে তার জন্য তাদের সন্মান জানানো খুব দরকার। ডেপুটেশন জমা দূরে থাকে বাম কর্মীরা ছুটল পুলিশ কর্মীদের সন্মান দেওয়ার ব্যবস্থা করতে। কিছুক্ষনের মধ্যেই চলে এল ডজন ডজন গোলাপ ফুল। লোহার ব্যারিকেডের একদিকে পুলিশ কর্মীরা, অন্য দিকে বাম কর্মী সমর্থকরা।

একদল বাম কর্মী-সমর্থক এগিয়ে আসতে থাকলো পুলিশের দিকে, প্রস্তুত পুলিশ, এই বুঝি ব্যারিকেড ভাঙাবে রাজনৈতিক কর্মীরা। লাঠি উঁচিয়ে পুলিশ হঠাৎ করেই বামকর্মীরা গোলাপ ফুল এগিয়ে দিল পুলিশের উদ্দেশ্যে কিছুটা হতবাক আবার কিছুটা লজ্জাও পেল কর্তব্যরত পোশাকি প্রাশাসন। কিছুটা হতভম্ব পুলিশকে ফুল দিয়ে সন্মান জানানোর চেষ্টা করলেও গোলাপ ফুলের হামলায় পিছু হাঁটলেন তারা। বামেদের তরফে জানানো হয় তারা অবস্থান বিক্ষোভ ও পুরকমিশনারকে স্মারকলিপি জমা দেওয়াই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য, এবং গোটা রাজনৈতিক কর্মসূচিও ছিল শান্তিপুর। কিন্তু পুলিশের এমন ব্যবস্থা এমন আতঙ্ক দেখে আমরা তাদের আমাদের প্রতি ভয় কাটাতেই তাদের গোলাপ ফুল দিয়ে নিরস্ত হওয়ার আবেদন জানালাম। পুলিশ দলদাস হয়ে উঠেছে বিরোধী দেখলেই তাদের পেটানোর ভাবনা তাদের তাই তদেরকে এই গোলাপ ফুল দিয়ে বার্তা দিলাম পুলিশ তুমি যতই মারো আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি আমরা তোমাদের সন্মান করি।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: