corona virus btn
corona virus btn
Loading

সাবাশ ‘‌ডাক্তার দিদিমণি!’‌ ইন্দ্রাণী দেবী দুর্গার মতো দশ হাতে সামলাচ্ছেন হাসপাতাল ‌

সাবাশ ‘‌ডাক্তার দিদিমণি!’‌ ইন্দ্রাণী দেবী দুর্গার মতো দশ হাতে সামলাচ্ছেন হাসপাতাল ‌

ডিউটি শেষ করে তাই ১০০ কিলোমিটার পথ নিজেই ড্রাইভ করে চলে যাচ্ছেন কলকাতা

  • Share this:

#‌মহিষাদল:‌ করোনা নিয়ে জেরবার অবস্থার মধ্যেই অসুস্থ হয়ে টানা বিশ্রামে মহিষাদলের বিএমওএইচ। বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক ইন্দ্রাণী দেবনাথকেই তাই সামলাতে হচ্ছে গোটা হাসপাতালের কাজকর্ম। ডাক্তারি থেকে বিএমওএইচের ব্লক স্বাস্থ্যের কার্যকলাপ। সব কাজই ডাক্তার দিদিমণি করে যাচ্ছেন দায়িত্ব নিয়ে। মাঝে মাঝে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে মহিলা ডাক্তারকে গাড়ি নিয়ে ছুটতে হচ্ছে সমান তালে। করোনার কারনে রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকলেও হাসপাতালে রোগীর অভাব নেই। রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে তাই চরম ব্যস্ততার মধ্যেই কখনও ইন্দ্রাণী দেবীকে ছুটতে হচ্ছে তমলুকের ডিএম অফিস। কখনও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তর থেকে মহিষাদল ব্লক এলাকার প্রতিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।

বিভিন্ন জায়গা ঘুরে এসে আবার চিকিৎসার কাজে হাত লাগাচ্ছেন তিনি। কাজ শেষ হতে হতে সন্ধ্যে গড়িয়ে রাত হচ্ছে। রাত্রিবাস হাসপাতাল কোয়ার্টারেই। সময় সুযোগ করে পরিবারের প্রয়োজনে ডাক্তার ইন্দ্রাণী দেবীকে মাঝেমাঝে যেতে হচ্ছে কলকাতায়, নিজের বাড়ি। ডিউটি শেষ করে তাই ১০০ কিলোমিটার পথ নিজেই ড্রাইভ করে চলে যাচ্ছেন কলকাতা। রাত ভোর হলেই গাড়ি ছুটিয়ে কলকাতা থেকে আবারও ফিরে আসা নিজের কর্মস্থল বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে।

করোনার কারনে কাজ বেড়েছে। সেই কাজে মনপ্রাণ সঁপেও দিয়েছেন ৩২ বছরের এই ডাক্তার দিদিমণি। শুধু নিজে নন, গোটা চিকিৎসক টিমকে নিয়েই ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করে চলেছেন তিনি। কঠিন এই সময়ে তাঁর সব কাজ সমান গতিতে চালু থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ডাক্তারের ভূমিকার প্রশংসা করছেন বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালের কর্মী থেকে স্থানীয় বাসিন্দা সকলেই। চিকিৎসকের কাজ সামলানোর পাশাপাশি করোনা নিয়ে প্রচারের কাজও করতে হচ্ছে তাঁকে। যা লাগাতার নিয়ম মেনেই করে যাচ্ছেন তিনি। যা দেখে মুগ্ধ হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মী, অন্যান্য চিকিৎসক থেকে রোগী সকলেই। স্বাস্থ্যকর্মী পার্বতী ফদিকারের কথায়, ‘‌সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেন বলেই ইন্দ্রাণী দেবী আজ সবার প্রিয়। ডাক্তার দিদিমণির কাজে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। বলছেন, ‘‌‌অনেক অসুবিধা রয়েছে। কিন্তু নিজের পরিশ্রমে হাসপাতালকে সচল রেখেছেন ডাক্তার দিদিমণিই। যদিও তাঁর কাজ নিয়ে সবাই প্রশংসা করলেও, সেসব নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ ডাক্তার ইন্দ্রাণী দেবনাথ। করোনার সময়ে হাসপাতালের সবাই মন প্রাণ এক করেই কাজ করছেন। পরিশ্রম করছেন। সবাই পরিশ্রম করছেন বলেই মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন। পরিষেবা পাবেনও।

SUJIT BHOWMIK

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: April 3, 2020, 12:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर