corona virus btn
corona virus btn
Loading

দরজা ঠেলতেই মিলল কলকাতার পুলিশ কর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ !

দরজা ঠেলতেই মিলল কলকাতার পুলিশ কর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ !

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের নাকে-মুখে রক্তের দাগ ছিল। তাই অসুস্থতার কারণে মৃত্যু নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা নিশ্চিত হতেই মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: অনেক বেলাতেও ঘুম থেকে উঠতে না দেখে ডাকতে গিয়েছিলেন বাড়ির অন্যান্যরা। ভেজানো দরজা খুলতেই ঘরের মেঝেতে মিলল পুলিশ কর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার ধারান গ্রামে। অসুস্থতার কারণেই খাট থেকে মেঝেতে পড়ে মৃত্যু নাকি এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিনই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ মর্গে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সী মৃত ওই ব্যক্তির নাম মানস রঞ্জন মণ্ডল। তিনি ভবানীপুর ট্রাফিক পুলিশের কর্মী ছিলেন। সম্প্রতি ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছিলেন। সোমবারই তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। এদিন সকালেই ঘরের মেঝেতে তাঁর মৃতদেহ মেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রায়না থানা তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে অসুস্থতার কারণে মৃত্যু বলেই দাবি করেছেন পরিবারের অন্যান্যরা। মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে কিনা, তা ময়না তদন্তের রিপোর্টেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ভবানীপুরে পুলিশ কর্মী হিসেবে কাজ করলেও গ্রামের বাড়ি পূর্ব বর্ধমান রায়না থানা ধারান গ্রামে মাঝেমধ্যেই আসতেন মানস রঞ্জন বাবু। স্ত্রী পশ্চিম বর্ধমানের উখড়াতে থাকেন। সেখান থেকে তিনি নার্সের কাজ করেন। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেডিক্যাল লিভ নিয়ে আট দিন আগে রায়নার বাড়িতে এসেছিলেন ওই পুলিশ কর্মী। এদিন সকালে তার ভবানীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও সে ঘুম থেকে উঠছে না দেখেই পরিবারের অন্যান্যরা তার ঘরে খোঁজ নিতে যায়। তখনই তারা মেঝেতে মানসরঞ্জনের অচৈতন্য দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তাদের ডাকে ছুটে আসেন আশপাশের বাসিন্দারা।

খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় রায়না থানার পুলিশ। তারা অচৈতন্য দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের নাকে-মুখে রক্তের দাগ ছিল। তাই অসুস্থতার কারণে মৃত্যু নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে তা নিশ্চিত হতেই মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: June 16, 2020, 6:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर