• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ইঞ্জেকশন চুরি কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত চিকিৎসক দেবাংশী সাহার বদলি শীতলকুচিতে

ইঞ্জেকশন চুরি কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত চিকিৎসক দেবাংশী সাহার বদলি শীতলকুচিতে

মেডিকেল কলেজ থেকে সোজা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে! শাস্তিমূলক বদলি!

মেডিকেল কলেজ থেকে সোজা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে! শাস্তিমূলক বদলি!

মেডিকেল কলেজ থেকে সোজা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে! শাস্তিমূলক বদলি!

  • Share this:

#কলকাতা:

মেডিকেল কলেজ থেকে সোজা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে! কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে দামি ইঞ্জেকশন চুরি কাণ্ডে দোষা সাব্যস্ত চিকিত্সক দেবাংশী সাহাকে কোচবিহারের শীতলকুচির জটামারি উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বদলি করল স্বাস্থ্য দফতর। শাস্তিমূলক বদলি হিসাবেই এমন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। জীবনদায়ী ইঞ্জেকশন টোসিলিজুম্যাব সরানোর অভিযোগ ছিল এই তরুণী চিকিত্সকের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে তদন্ত কমিটি। এপ্রিল মাসে ২৬টি করোনা চিকিত্সায় ব্যবহৃত জীবনদায়ী টোসিলিজুম্যাব ইঞ্জেকশন সরিয়েছিলেন দেবাংশী সাহা। ২৬টি জীবনদায়ী ইঞ্জেকশনের বাজারমূল্য আনুমানিক ১১ লাখ টাকা।

ইঞ্জেকশন কাণ্ডে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা পড়েছিল স্বাস্থ্য ভবনে। ওই রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, নিয়মানুসারে কোনও হাউস স্টাফ বা মেডিক্যাল অফিসার এই জীবনদায়ী ইঞ্জেকশান নিতে পারেন না। তবে রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার বা আর এম ও, যে চিকিৎসক রোগীকে দেখছেন তাঁদের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা। সিনিয়র রেসিডেন্ট পদের চিকিৎসকও এই ইনজেকশন নিতে পারেন। টোসিলিজুম্যাবের মতো অত্যন্ত দামী ইঞ্জেকশান কোন রোগীর উপর প্রয়োগ করা হচ্ছে, কতটা ডোজ দেওয়া হচ্ছে, সব কিছু লিপিবদ্ধ করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু চিকিত্সক দেবাংশী কোনও নিয়মই মানেননি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল।

আইএনটিটিইউসি সেবা দল বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, ২৬ টি জীবনদায়ী ইঞ্জেকশন শিশু বিভাগের দায়িত্বে থাকা সিস্টারকে বোকা বানিয়ে গায়েব করা হয়েছে। মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটিতে ফার্মাকোলজি ফরেনসিক-সহ নানা বিভাগের চিকিৎসক ও নার্সিং বিভাগের আধিকারিকদের রাখা হয়েছিল। এর পরই দোষী সাব্যস্ত হন দেবাংশী। তাঁকে আপাতত শীতলকুচির উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন চিকিত্সকের অধীনে কাজ করতে হবে।

Published by:Suman Majumder
First published: