স্যানিটাইজার,মাস্ক দিয়ে খুঁটি সাজিয়ে করা হল পুজো ! বাজল আগমনীর ঢাক !

খুঁটি সাজানো হয়েছিল স্যানেটাইজারের বোতল, মাস্ক ও গ্লাভস দিয়ে। পুজোর নৈবিদ্য থেকে ব্রাহ্মণের দক্ষিণা সবেতেই ছিল মাস্ক, স্যানিটাইজার ও গ্লাভসের আধিক্য।

খুঁটি সাজানো হয়েছিল স্যানেটাইজারের বোতল, মাস্ক ও গ্লাভস দিয়ে। পুজোর নৈবিদ্য থেকে ব্রাহ্মণের দক্ষিণা সবেতেই ছিল মাস্ক, স্যানিটাইজার ও গ্লাভসের আধিক্য।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আবহের মাঝেই দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো হল। শ্রাবণের শেষ সপ্তাহে বাজলো আগমনীর ঢাক। কিন্তু মননে চিন্তনে যে করোনা! তাই খুঁটি সাজানো হয়েছিল স্যানেটাইজারের বোতল, মাস্ক ও গ্লাভস দিয়ে। পুজোর নৈবিদ্য থেকে ব্রাহ্মণের দক্ষিণা সবেতেই ছিল মাস্ক, স্যানেটাইজার ও গ্লাভসের আধিক্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারির পাল্লা রোডের পল্লীমঙ্গল সমিতি তাদের ৭৯তম বর্ষের খুঁটি পুজো সেরে ফেলল। তাদের এই বারের থিম ''সাদায় কালোয়, আলোয় ভালোয়''। খুঁটি পুজোয় চমক থাকলেও সদস্যদের উপস্থিতিতে রাশ টেনে রাখা হয়েছিল সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে। তাই খুঁটি পুজোয় সেইভাবে দর্শকের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। খুঁটি সাজানো হয়েছিল স্যানেটাইজারের বোতল, রঙ বেরঙের মাস্ক ও গ্লাভস দিয়ে। বাসিন্দাদের সচেতন করতেই এই ভাবনা বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। আয়োজকদের তরফে পল্লীমঙ্গল সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্দীপন সরকার জানান,  এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা পুজো করতে চাই। তবে  প্রশাসনিক অনুমতি নিয়েই যাবতীয় আয়োজন হবে। তারই প্রস্তুতি স্বরূপ আজ খুঁটি পুজো সেরে রাখা হল। তিনি বলেন, পুজোর সাথে ঢাকি , মৃৎ শিল্পী, মন্ডপ শিল্পী, লাইট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বহু মানুষের রুটি রুজি জড়িয়ে থাকে। তাই পুজো বন্ধ করা মানে স্থানীয় অর্থনীতিতেও আঘাত করা।

পুজোর সভাপতি নিমাই চন্দ্র মুখোপাধ্যায় বলেন, আজ সব রকম নিয়ম মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করা হল। করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই অবসাদে রয়েছেন। তা কাটাতেও পুজো হওয়াটা দরকার। খুঁটি পুজোর ব্রাহ্মণ সৌম্যদর্শন মুখোপাধ্যায় বললেন, 'জীবনে প্রথম বার হাতে গ্লাভস পরে সংকল্প করলাম। অন্যরকম অভিজ্ঞতা হল।' বাজেটে সামান্য রাশ টেনে পুজোর সাথে সাথে স্থানীয় দরিদ্র বাসিন্দাদের মধ্যে পুজোর সময় জামাকাপড় ও খাদ্যসামগ্রী বিলির পরিকল্পনা  রয়েছে বলে জানালেন পুজোর আহ্বায়ক সুজয় ঘোষ।

SARADINDU GHOSH 

Published by:Piya Banerjee
First published: