corona virus btn
corona virus btn
Loading

জলের তলায় বিঘের পর বিঘে চাষের জমি, রুপনারায়ণের জলে ভাসছে খানাকুল  

জলের তলায় বিঘের পর বিঘে চাষের জমি, রুপনারায়ণের জলে ভাসছে খানাকুল  

ছিল ধানের জমি। হয়ে গেল নৌকা চলাচলের চ্যানেল৷ রুপনারায়ণের জলে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি জলের তলায়। খানাকুলের বাড়নন্দনপুর গ্রামের চেহারা এমনই

  • Share this:

#খানাকুল: ছিল ধানের জমি। হয়ে গেল নৌকা চলাচলের চ্যানেল৷ রুপনারায়ণের জলে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি জলের তলায়। খানাকুলের বাড়নন্দনপুর গ্রামের চেহারা এমনই। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম নৌকা। তা নিয়েই চলছে জমি দেখে আসার কাজ। তবে আকাশে ঘন কালো মেঘ, চিন্তা বাড়াচ্ছে খানাকুলের। আরামাবাগ, খানাকুল, গোঘাট... হুগলি জেলার এই সমস্ত এলাকা বরাবর বন্যা প্রবণ। প্রতি বছর বন্যার ভ্রুকুটি সহ্য করতে হয় এই সব এলাকার মানুষদের। চলতি বছরেও তার অন্যথা হয়নি।

হুগলি জেলার এই সব এলাকা রুপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী, দামোদর নদী দিয়ে ঘেরা। এর মধ্যে রুপনারায়ণের জলে ভেসেছে খানাকুলের একাধিক গ্রাম। আর তার জেরেই জলের তলায় চাষের জমি। বাড়নন্দনপুরের বাসিন্দা আনন্দ সুদর্শন হাজরা। তার ২০ বিঘা ধান জমি এখন জলের তলায়। তিনি জানাচ্ছেন, "প্রত্যেক বছরই তো আমাদের এই অত্যাচার সহ্য করতে হয়। ব্যারেজ জল ছাড়লেও আমাদের জমি জলের তলায়। ভারী বৃষ্টি হলেও জলের তলায় চলে যায় আমাদের জমি। এভাবে আমরা আর কত বছর সহ্য করব।"   বাসাবাটি'র বাসিন্দা অনিল দারির জমিও জলের তলায়। তিনি জানাচ্ছেন, "পটল, উচ্ছে সহ-মরশুমি সবজি  সব জলের তলায় চলে গেল! সব ফসল পচে গিয়েছে। কবে জল নামবে জানিনা। ফলে কিছু আর ফেরত পাওয়ার আশা রাখি না।"

খানাকুলের গড়েরঘাটের রাস্তার দু'ধারে বিঘের পর বিঘে জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট জলের উচ্চতা। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার জলমগ্ন গ্রাম দেখতে আসেন হুগলি জেলার পুলিশ সুপার তথাগত বসু। এদিন বাসাবাটি, জগৎপুর-সহ একাধিক গ্রাম তিনি ঘুরে দেখেন, কথা বলেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। তাঁদের নানা অসুবিধার কথা শোনেন। গ্রামের বাসিন্দা মিতালি হাজরা জানিয়েছেন, "গ্রামে ওষুধ নিয়ে আসা সবচেয়ে সমস্যা। পুলিশকে বললাম,  আমরা যাতে ওষুধ পেতে পারি।" আরেক গ্রামবাসী মিনতি হাজরা জানিয়েছেন, "বাজার করতে যেতে পারছি না। গ্রাম তো একটা দ্বীপ হয়ে গিয়েছে। খাবার যাতে পাই সেটা দেখতে অনুরোধ করেছি পুলিশকে।" পুলিশ সুপার তথাগত বসু জানিয়েছেন, "জলবন্দি এলাকার মানুষের খোঁজ  নিতেই আমরা এসেছিলাম। কথা বলে গেলাম। যা-যা চাহিদা আছে সব দেখে দেওয়া হবে। বিশেষ করে ওষুধ ও খাবার।"

ARNAB HAZRA

Published by: Rukmini Mazumder
First published: August 27, 2020, 7:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर