ব্যাগভর্তি পুরস্কার-৬০ বছরেও মাঠই জীবন কাসেদের

ব্যাগভর্তি পুরস্কার-৬০ বছরেও মাঠই জীবন কাসেদের
  • Share this:

Pranab Kumar Banerjee

#বহরমপুর: দৌড়ই তার জীবন। বছর পাঁচেক থেকে শুরু করে ষাটের দোরগোড়ায় গিয়েও দৌড়-ই তার ধ্যান-জ্ঞান। মাটি আগলে ধরেই রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যেও ছুটে চলেছেন কাসেদ আলি। বহরমপুরের কাসেদ আলি প্রায় ৫০ বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও ভিন রাজ্যে একাধিক ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হননি কখনও। ১৯৭৮ সাল থেকে ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে অগুনতি মেডেল ও সার্টিফিকেট পেলেও কোন স্বীকৃতি না মেলায় আক্ষেপ থেকে গিয়েছে কাসেদের।

১৯৭০ সালের হরিহরপাড়ার মাঠে প্রাথমিক স্কুলের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন হরিহর পাড়ার মামদালপুরের বাসিন্দা কাসেদ আলী। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাননি। মাঠই হয়ে উঠেছে তার জীবন। ব্লগ থেকে জেলা স্তর, রাজ্য ও ভিন রাজ্যে ৫০০০ মিটার, ১০ হাজার মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। অভাবের সংসারে বাসের ভাড়া না জোগাড় করতে পেরে হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর প্রায় ৩০ কিলোমিটার ছুটে যাতায়াত করতেন কাসেদ।

বর্তমানে রেল দফতরে চাকরি করলেও বিভিন্ন রাজ্যে ম্যারাথন দৌড় হলেই অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরিবারের স্ত্রী নাসিরা বেগম ও ছেলে মহম্মদ আজিজ বাবার এই মাঠের জীবন মেনে নিতে পারেন না। বহরমপুরের তাল বাগানে নিজের বাড়িতে বসেই সেই আক্ষেপ শোনান কাসেদ। বলেন, ‘‘এই ভাবে ছুটে বেড়ানোর জন্য স্ত্রী ও ছেলে মেনে নিতে পারে না। তাকে অবশ্য আমি আমল দিই না। তবে কোনও সরকারি স্বীকৃতি না মেলায় খারাপ লাগে।’’ আর্থিক অবস্থা ভাল না হওয়ায় অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। বর্তমানে একাধিক রোগে জর্জরিত পঞ্চাশের উর্ধ্বে সকলে। সে ক্ষেত্রে শরীরচর্চা সবুজ ঘাসের সংস্পর্শে থাকার পরামর্শ দিলেন ৬০ বছরের যুবক কাসেদ আলি।​

First published: 04:02:20 PM Dec 13, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर