• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • এখনও বিপদ কাটেনি ছোট্ট করিম মোল্লার

এখনও বিপদ কাটেনি ছোট্ট করিম মোল্লার

NRS-এ তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে ৷

NRS-এ তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে ৷

NRS-এ তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: চোখ থেকে পেরেক বের করা হলেও এখনও বিপদ কাটেনি ক্যানিংয়ের ৮ বছরের করিমের। NRS-এ তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে ৷ বোর্ডে চক্ষু বিশেষজ্ঞ, জেনারেল সার্জেনের পাশাপাশি স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদেরও রাখা হয়েছে ৷

    মস্তিষ্কে সংক্রমণের আশঙ্কা ভাবাচ্ছে এনআরএসের চিকিৎসকদের। শনিবার চোখে পেরেক বাঁধা অবস্থাতেই করিমকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটে বেড়ান পরিবারের লোকেরা। শেষে এনআরএসে তার চোখ থেকে পেরেক বের করা হয়। করিমের খোঁজ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেও।

    করিমের চোখের কোটর দিয়ে ঢোকে পেরেক ৷ আঘাত করিমের খুলির হাড়েও ৷ তার মস্তিষ্কের আঘাত কতটা ? জানতে রবিবার হয় থ্রিডি রিকনস্টাকসন সিটি স্ক্যান ৷ জানা যায় মস্তিষ্কে জমাট বেঁধে আছে রক্ত ৷

    খেলতে গিয়ে চোখে আস্ত একটি পেরেক ঢুকে যায় আট বছরের করিম মোল্লার ৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণার জীবনতলার বাসিন্দা করিমের পরিবার রক্তাক্ত ছেলেটিকে নিয়ে ছুটে আসে কলকাতায় ৷ চোখে গেঁথে রয়েছে পেরেক ৷ এমন বীভৎস মরণ-বাঁচন অবস্থাতেও শিশুটিকে চিকিৎসা না করে ফিরিয়ে দেয় SSKM, বাঙুর নিউরোলজি, RIO, চিত্তরঞ্জন, NRS-এর মতো শহরের প্রথম সারির পাঁচ হাসপাতাল ৷

    ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুরে ফের NRS হাসপাতালেই নিয়ে আসা হয় শিশুটিকে ৷ পরিবারের চাপে শিশুটিকে ভর্তি নিতে রাজি হয় হাসপাতাল ৷ ততক্ষণে কেটে গিয়েছে প্রায় ১০ ঘণ্টা ৷ শিশুটির দৃষ্টিশক্তি নিয়ে সংশয় ৷ আধঘণ্টার অস্ত্রোপচারে শিশুটির চোখ থেকে পেরেক বের করতে সক্ষম হয় চিকিৎসক ৷ বিপদমুক্ত হলেও শিশুটির দৃষ্টি শক্তি সম্পূর্ণ ফিরবে কিনা সেই নিয়ে রয়েছে আশঙ্কা ৷

    প্রশ্ন উঠেছে, শহরের প্রথম সারির পাঁচ হাসপাতালে কেন এমন অবস্থায় রোগীকে ফিরিয়ে দিল ৷ এহেন হাসপাতালগুলিতে এই অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামো আছে কি না তা নিয়েও ধন্দ ৷ অভিযোগ পেয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে ৷

    অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালগুলিকে বহুবার সতর্ক করেছেন যে রোগীকে ফেরানো যাবে না ৷ তার পরেও যে হাসপাতালগুলির হুঁশ ফেরেনি তা বলাই বাহুল্য ৷

    First published: