corona virus btn
corona virus btn
Loading

কংসাবতী নদীতে গার্ডওয়াল, ঝাড়গ্রামে সরকারি প্রকল্প থমকে প্রশাসনিক বাধায়

কংসাবতী নদীতে গার্ডওয়াল, ঝাড়গ্রামে সরকারি প্রকল্প থমকে প্রশাসনিক বাধায়
নিজস্ব চিত্র

ঝাড়গ্রামের চুবকা গ্রাম পঞ্চায়েতের ছটি গ্রাম। চুবকা ছাড়াও রয়েছে ভাওদি, বেনেডি, জগন্নাথপুর ও মকরামপুর বন্যায় নদী ভাঙন আটকাতে ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষে কংসাবতীতে গার্ডওয়াল তৈরির প্রকল্প নেওয়া হয়।

  • Share this:

#ঝাড়গ্রাম: প্রশাসনের বাধাতেই কি না আটকে সরকারি কাজ!!! কংসাবতী নদীতে গার্ডওয়ালের কাজ থমকে। জেলা প্রশাসনের তরফে সরকারি কাজের জন্য কোনওভাবেই মোরাম ও বোল্ডার সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। আশঙ্কায় ঝাড়গ্রামের চুবকা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬টি গ্রামের বাসিন্দারা।

ঝাড়গ্রামের চুবকা গ্রাম পঞ্চায়েতের ছটি গ্রাম। চুবকা ছাড়াও রয়েছে ভাওদি, বেনেডি, জগন্নাথপুর ও মকরামপুর বন্যায় নদী ভাঙন আটকাতে ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষে কংসাবতীতে গার্ডওয়াল তৈরির প্রকল্প নেওয়া হয়। পরের অর্থবর্ষেই শুরু হয় গার্ডওয়াল তৈরির কাজ। গত বছরের শেষের মধ্যে বারোশো মিটার গার্ডওয়াল তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে । বাকি তিনশো মিটার কাজ শেষ হওয়া ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চিয়তা। ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠকে জেলাজুড়ে অবৈধ বালি ও পাথর খাদান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারপরই জেলাজুড়ে প্রায় সব বালি ও বোল্ডার খাদান বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। তাই গার্ডওয়াল তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বালি ও মোরাম পাওয়া যাচ্ছে না।

বর্ষা দেরিতে হওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে এরমধ্যেই আশঙ্কা শুরু হয়েছে। ছ’টি গ্রামে প্রায় পাঁচহাজার মানুষের বাস। যে কোনও মুহূর্তে নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে জমি-বাড়ি। পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগও করছেন তাঁরা।

কাজ বন্ধ থাকায় বেশ কয়েকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান উদয়শঙ্কর সেন। কিন্তু কোনও সাহায্য পাননি বলে অভিযোগ তাঁর। বাইটঃ উদয়শঙ্কর সেন, প্রধান, চুবকা গ্রাম পঞ্চায়েত

প্রশাসনিক টালবাহানা নিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা হয়েছিল জেলাশাসক আয়েষা রানির সঙ্গে। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে কোনও উত্তর মেলেনি। আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন চুবকা পঞ্চায়েতের ছ’টি গ্রামের বাসিন্দারা।

First published: September 12, 2019, 10:04 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर