রাজ্য সরকারের বক্তব্য নৌকাডুবির দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট পুরসভাকেই

কালনায় নৌকাডুবির ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, ঘটনার দায় নিতে হবে ফেরি চলাচলের অনুমতি দেওয়া সংশ্লিষ্ট পুরসভাকেই। জানা গিয়েছে কালনা-শান্তিপুর রুটে গত তিনবছর ধরে ফেরি পারাপারের দায়িত্বে ছিলেন রঞ্জিত মোদক নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রঞ্জিত। ১৮৮৫ সালে বেঙ্গল ফেরিজ অ্যাক্ট হাতড়ে দায় কার তা খোঁজার চেষ্টা চলছে।

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:May 15, 2016 06:26 PM IST
রাজ্য সরকারের বক্তব্য নৌকাডুবির দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট পুরসভাকেই
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:May 15, 2016 06:26 PM IST

#নদীয়া: কালনায় নৌকাডুবির ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, ঘটনার দায় নিতে হবে ফেরি চলাচলের অনুমতি দেওয়া সংশ্লিষ্ট পুরসভাকেই। জানা গিয়েছে কালনা-শান্তিপুর রুটে গত তিনবছর ধরে ফেরি পারাপারের দায়িত্বে ছিলেন রঞ্জিত মোদক নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রঞ্জিত। ১৮৮৫ সালে বেঙ্গল ফেরিজ অ্যাক্ট হাতড়ে দায় কার তা খোঁজার চেষ্টা চলছে।

কালবা ও শান্তিপুরের মাঝে এই নদীপথেই বার্জের মাধ্যমে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মাঝেই নৃসিংহপুরের ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনা চিন্তা বাড়াল সরকারের। প্রশাসন সূত্রে খবর, কালনা পুরসভা নৃসিংহপুর ঘাটে ফেরি চলাচলের অনুমতি দেয় ৷ নৃসিংহপুরে ঘাটে যাত্রী পারাপারে জন্য ৬টি নৌকা রয়েছে ৷ নৃসিংহপুর ঘাটে ফেরি চলাচলের দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা রঞ্জিত মোদক৷ ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ফেরি চালানোর অনুমতি আছে রঞ্জিতের ৷

হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমিতি, পশ্চিমবঙ্গ ভূতল পরিবহণ সমিতি ছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ফেরি চলাচলের দায়িত্বে থাকে স্থানীয় পুরসভা বা পঞ্চায়েত। সেক্ষেত্রে, কালনা পুরসভা এর দায় এড়াতে পারে না। ২০১০ সালে ৩ জানুয়ারি কোলাঘাটে নৌকাডুবির ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পরিবহণ দফতরের তত্ত্বাবধানে ফেরি পরিষেবাগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। যদিও ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই কাজ সম্পূর্ন হয়নি। পরিবহণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী-পণ্য নেওয়া যাবে না ৷ নিয়ম ভাঙলে কি করা উচিত তার সঠিক উল্লেখ নেই আইনে

দফতরের কর্তাদের নজরদারিতে ফাঁক৷ প্রতি তিনমাস অন্তর নৌকার স্বাস্থ্যপরীক্ষা বাধ্যতামূলক৷ এক্ষেত্রে দুর্ঘটনাগ্রস্ত নৌকাটি ‘ফিট’ ছিল কি না জানা নেই৷ উৎসবের সময়ে নৌকা চালালে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো বাধ্যতামূলক৷ শনিবার কালনার ঘাটে পুলিশ থাকলেও, শান্তিপুরের ঘাটে ছিল না৷ ভিড় বাড়লে নৌকা পারাপারের সময়ে প্রশিক্ষিত ডুবুরি ঘাটে রাখা দরকার ৷ নৃসিংহপুর ঘাটে ডুবুরি মোতায়েন ছিল না৷ মাঝিদেরও বিশেষ প্রশিক্ষণ থাকার কথা বলা হয়েছে৷ দুর্ঘটনাগ্রস্ত নৌকাটির মাঝিরা প্রশিক্ষিত ছিলেন কিনা জানা নেই

১৩২ বছর আগে তৈরি আইন অবশ্য এই ধরনের নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে মাত্র ৫০ টাকা জরিমানার কথাই জানাচ্ছে। কোলাঘাট, কাকদ্বীপ, মুর্শিদাবাদ জুড়ে একের পর এক নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে গেলেও হুঁশ ফেরেনি কারুর। শান্তিপুরের ঘটনার পরে টনক কি আদৌ নড়বে? উত্তর জানা নেই।

First published: 06:26:45 PM May 15, 2016
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर