বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বিহার গিয়েছিলেন, বাড়িতে ফিরল যুবতীর মৃতদেহ !

বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বিহার গিয়েছিলেন, বাড়িতে ফিরল যুবতীর মৃতদেহ !

বিয়ের ১৫ দিনের মধ্যে রহস্যমৃত্যু যুবতীর

  • Share this:

#কালনা: বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে গিয়েছিলেন বিহারে। ১৫ দিন পর বাড়িতে ফিরল মহিলার নিথর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। ঠিক কীভাবে মৃত্যু হল মহিলার ? নতুন জামাই শ্বশুর বাড়িতে জানালো না কেন সেই খবর ? প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। অবিলম্বে ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছে মৃতার আত্মীয় পরিজন।

মাত্র ১৫ দিন আগে ঘটা করে বিয়ে হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের কালনার  নান্দাই পঞ্চায়েতের  উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকার বাসিন্দা সুস্মিতা পালের। পাত্র কালনারই আটঘরিয়ার বৃদ্ধপাড়ার বাসিন্দা অনুপ কুমার দে। অনুপ জানিয়েছিল, সে পেশায় ডাক্তার, বিহারে প্র্যাকটিস করে। বিয়ের পরই স্ত্রী সুস্মিতাকে নিয়ে   বিহারে পাড়ি দিয়েছিল অনুপ।

সুস্মিতা পাল সুস্মিতা পাল

বৃহস্পতিবার বিহার পুলিশ ফোন করে সুস্মিতার বাড়িতে। ফোন ধরেছিলেন সুস্মিতার  বাবা সুদর্শন পাল। সেই ফোনেই সদ্য বিয়ে হওয়া মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পান সুদর্শনবাবু। বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় সুস্মিতার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে বলে তাঁকে জানায় পুলিশ। শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে। মেয়ের  অস্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না সুদর্শন বাবু। তাঁর দাবি, 'মেয়েকে খুন করা হয়েছে।' ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিহার থেকে সুস্মিতার মৃতদেহ আসে উত্তর রামেশ্বরপুরে সুদর্শনবাবুর বাড়িতে। শান্ত ভদ্র সুস্মিতার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না এলাকার বাসিন্দারাও। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে নান্দাই ব্রিজের কাছে কালনা কাটোয়া রোড অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবিলম্বে এই খুনে যুক্তদের গ্রেফতারের পোস্টারও ছিল অবরোধকারীদের হাতে। সন্ধে থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ চলে রাত পর্যন্ত। পরে কালনা থানার পুলিশ উপযুক্ত তদন্তের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।

 বিহারে ঠিক কি হয়েছিল সুস্মিতার সঙ্গে ? জানতে উদগ্রীব পরিবার থেকে পাড়া পড়শিরা।  সুস্মিতা কি এমন কিছু দেখে ফেলেছিলেন যার জন্য তাঁকে  খুন করে মৃতদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ? তেমন কিছু ঘটলে তিনি কি তা বাপের বাড়ি বা পরিচিতদের জানিয়েছিলেন ? জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে বিহার পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে পুলিশের তদন্তকারী দল সেখানে গিয়ে সুস্মিতার স্বামীর সঙ্গেও কথা বলবে।

Saradindu Ghosh

First published: March 6, 2020, 1:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर