Home /News /south-bengal /

দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধা মায়ের ওপর চলছিল নির্যাতন, মাত্র কয়েক ঘণ্টায় মুশকিল আসান করলেন কালনার বিধায়ক

দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধা মায়ের ওপর চলছিল নির্যাতন, মাত্র কয়েক ঘণ্টায় মুশকিল আসান করলেন কালনার বিধায়ক

কালনায় দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধা মায়ের ওপর চলছিল নির্যাতন।

কালনায় দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধা মায়ের ওপর চলছিল নির্যাতন।

এক ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছিলেন মা ও দুই দাদাকে। মা সেকথা জানিয়েছিলেন প্রশাসনকে। কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা হয়নি। অবশেষে বৃদ্ধার মুশকিল আসান হয়ে দেখা দিলেন বিধায়ক।

  • Share this:

#কালনাঃ এক ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছিলেন মা ও দুই দাদাকে। মা সেকথা জানিয়েছিলেন প্রশাসনকে। কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা হয়নি। অবশেষে বৃদ্ধার মুশকিল আসান হয়ে দেখা দিলেন বিধায়ক। তাঁর উদ্যোগে দীর্ঘদিনের সমস্যার অনেকটাই মিটল এক লহমায়। বাকিটা সাতদিনে মিটিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক। লক ডাউনের মধ্যে কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

বৃদ্ধা শান্তি রায় কালনা শহরের সাত নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। স্বামীর হোটেলের ব্যবসা ছিল। তিন ছেলে বৃদ্ধার। অভিযোগ, ছোট ছেলে দুই দাদা এবং মাকে দিনের পর দিন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছিল।  হোটেল তালা বন্ধ করে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে সুবিনয় রায়। হোটেল বন্ধ থাকায় সংসারে আর্থিক টানাটানি চলছিল দীর্ঘদিন ধরেই। দিনের পরদিন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, আর্থিক অনটন, অশান্তি সহ্য করতে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বৃদ্ধা। জানিয়েছিলেন প্রশাসনিক কর্তাদেরও। কিন্তু অপেক্ষাই সার। তাতে কোনও ফল হয়নি। অবশেষে বৃদ্ধা যান কালনার নতুন বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগের কাছে।

বৃদ্ধা শান্তি রায়ের মুখে ধৈর্য ধরে সব শোনেন  কালনার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ। এরপর কালক্ষেপ না করে তিনি সটান চলে যান বৃদ্ধার বাড়ি। বিধায়ক দেবপ্রসাদবাবু বাড়ির সবাইকে ডেকে কথা বলেন। অভিযুক্ত ছোট ছেলেকে রীতিমতো ধমক দেন বিধায়ক। মা ও পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার পরামর্শ দেন।

বাড়ির ছোট ছেলেকে মায়ের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে বলেন । বৃদ্ধা শান্তি রায় ও দুই ছেলেকেও আর অশান্তি হবে না বলে আশ্বস্ত করেন বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ। এরপর নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বন্ধ হোটেলের তালা খুলিয়ে দেন বিধায়ক। তিনি বলেন, "আগামী সাত দিনের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে বাকি সমস্ত কিছু মীমাংসা করে দেব। বিধায়কের এই তৎপরতায় স্বস্তিতে বৃদ্ধা। তিনি জানান, আশা করি মাসের পর মাাস চলতে থাকা এই নির্যাতন এ বার শেষ হবে।"

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: East Bardhaman, Kalna

পরবর্তী খবর