• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • "এখনও দল ছাড়ার কথা ভাবিনি, শুভেন্দু অধিকারীর প্রস্তাব ভেবে দেখব," বললেন কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু

"এখনও দল ছাড়ার কথা ভাবিনি, শুভেন্দু অধিকারীর প্রস্তাব ভেবে দেখব," বললেন কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু

অনুগামীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে এখন দলে তাঁর বিরোধী শিবির হিসেবে পরিচিতদেরই প্রাধান্য বেশি। সে কারণে ক্ষুব্ধ বিধায়কের সঙ্গে দলীয় নেতৃত্বের দূরত্ব ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

অনুগামীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে এখন দলে তাঁর বিরোধী শিবির হিসেবে পরিচিতদেরই প্রাধান্য বেশি। সে কারণে ক্ষুব্ধ বিধায়কের সঙ্গে দলীয় নেতৃত্বের দূরত্ব ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

অনুগামীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে এখন দলে তাঁর বিরোধী শিবির হিসেবে পরিচিতদেরই প্রাধান্য বেশি। সে কারণে ক্ষুব্ধ বিধায়কের সঙ্গে দলীয় নেতৃত্বের দূরত্ব ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: "এখনও দল ছাড়ার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। শুভেন্দু অধিকারী কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। ভেবেচিন্তে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।" বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের কালনায় এই মন্তব্য করলেন বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু। গতকাল, বুধবার, কাঁকসায় সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূলের এই বিধায়ক। এমনিতেই দলীয় কর্মসূচি থেকে বেশ কিছুদিন নিজেকে সরিয়ে নেওয়ায় বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর সেই জল্পনায় অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে। তিনি কি তবে শুভেন্দু অধিকারীর পথ ধরে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন? এমন প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে জেলার সর্বত্র।এদিন কালনার বিধায়ক অবশ্য বলেন, "দল ছাড়া বা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। ভেবেচিন্তে সেই সিদ্ধান্ত নেব।"

তিনি বলেন, "আমি শাসক দলের বিধায়ক।তৃণমূল কংগ্রেস আমাকে কাউন্সিলর, পুরপ্রধান, বিধায়ক করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব আজই আমাকে আলোচনায় ডেকেছে। আজ রাতে মন্ত্রী মলয় ঘটকের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে এলাকায় দলের শুদ্ধিকরণের প্রয়োজনের কথা জানাবো। বৈঠক ইতিবাচক হলে দলে থাকার বিষয়টি ভেবে দেখা যাবে। তাহলে হয়তো তৃণমূল কংগ্রেসটা আবার ভাল করে করব। কারণ, শুদ্ধিকরণ না হলে কালনায় তৃণমূল কংগ্রেসের জেতা সম্ভব নয়।"

তিনি জানান, "দুর্নীতিগ্রস্তরাই এখন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদে বসে রয়েছে। সেখানেই মানুষের ক্ষোভ। সেই ক্ষোভের কথা বারে বারে তথ্য প্রমাণ সহ দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। কোনও সুরাহা হয়নি। সেজন্যই দলের কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছিলাম না৷" বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর অনুগামীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে এখন দলে তাঁর বিরোধী শিবির হিসেবে পরিচিতদেরই প্রাধান্য বেশি। সে কারণে ক্ষুব্ধ বিধায়কের সঙ্গে দলীয় নেতৃত্বের দূরত্ব ক্রমশই বেড়ে চলেছে। দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে এ ব্যাপারে বারে বারে অভিযোগ জানিয়েও তেমন কোনও সুরাহা পাননি বিধায়ক। এসব কারণেই ক্ষোভ বেড়েছে দিনে দিনে। এসব জট কাটিয়ে আজ, বৃহস্পতিবার, বৈঠকে বরফ গলে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

Published by:Pooja Basu
First published: