ভাগীরথীর গ্রাসে কৃষিজমি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা, কালনায় নদীর ভাঙন পরিদর্শনে মন্ত্রী, জেলাশাসক

প্রতিদিন ভাগীরথীর গ্রাসে চলে যাচ্ছে কৃষিজমি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা

প্রতিদিন ভাগীরথীর গ্রাসে চলে যাচ্ছে কৃষিজমি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা

  • Share this:

#কালনা: পূর্ব বর্ধমানের কালনায় ভাগীরথীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসক বিজয় ভারতী। উপস্থিত ছিলেন এলাকার বাসিন্দা তথা রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। ছিলেন জেলা পরিষদের সভাপতি শম্পা ধারা, জেলা পরিষদের  সহ-সভাপতি দেবু টুডু-সহ সেচ দফতরের আধিকারিকরা। কালনা মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদী ভাঙন ব্যাপক আকার নিয়েছে। প্রতিদিন ভাগীরথীর গ্রাসে চলে যাচ্ছে কৃষিজমি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। এখনই ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে। ভাঙনের গ্রাসে চলে যেতে পারে ব্যান্ডেল-কাটোয়া রেল লাইন,  উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভাগীরথীর ভাঙন ব্যাপক আকার নিয়েছে খবর পেয়ে সোমবার  আধিকারিকদের নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে যান জেলাশাসক। এদিন কালনার ধাত্রীগ্রাম পঞ্চায়েতের কালিনগর গ্রামে যান তিনি। 'কাবাডি' গ্রাম হিসেবে এই গ্রামের দেশ জোড়া খ্যাতি রয়েছে। গ্রামের অনেকেই কাবাডিতে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বাসিন্দারা জানান,  'দীর্ঘদিনের ভাঙ্গনের জেরে বহু ঘরবাড়ি, জমি  নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। বেআইনিভাবে নদীর  মাটি পাচার হয়ে যাচ্ছে। তাতেই ভাঙন ব্যাপক আকার নিয়েছে।' বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার পর মন্ত্রীর সঙ্গে নদীর পাড় ঘুরে দেখলেন জেলাশাসক-সহ আধিকারিকরা। খুব শিগগিরই নদী ভাঙ্গন রোখার কাজ করতে হবে জানান জেলা শাসক বিজয় ভারতী। এ 'ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

কালীনগরের পাশাপাশি এদিন সমুদ্রগড়ের জালুইডাঙ্গার গঙ্গা ভাঙ্গন পরিদর্শনে যান মন্ত্রী জেলাশাসক-সহ আধিকারিকরা। এখানে  ভাঙ্গন রেলপথের কাছাকাছি চলে এসেছে। অবিলম্বে ভাঙ্গন রোধ না করা গেলে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে রেল লাইন। বন্ধ হয়ে যেতে পারে কাটোয়া ব্যান্ডেল শাখার ট্রেন পরিষেবা। কয়েকদিন আগেই সেচ মন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ভাঙনের বিষয়টি বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছিলেন প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এরপর তিনি ভাঙন রোধের বিষয়টি কেন্দ্রের নজরে আনার জন্য জেলা শাসকের কাছে বিস্তারিত নথিপত্র জমা দেন।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: