ভয় নয়, এলাকাবাসীর কাছে ডাকাত কালীবাড়ি এখন শুধুই ভক্তিস্থল

ভয় নয়, এলাকাবাসীর কাছে ডাকাত কালীবাড়ি এখন শুধুই ভক্তিস্থল
সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

দীপাণ্বিতা অমাবস্যায় ক্ষীরপাইয়ের ঘুঘুডাঙার ডাকাত কালীবাড়িতে আসেন অগণিত ভক্ত।

  • Share this:

#চন্দ্রকোণা: দুর্গম জঙ্গলের মাঝে শ্মশান। সেখানে মাটির ঘরে কালী মায়ের পুজো করত ডাকাতরা। তবে সেসব এখন অতীত। মেদিনীপুরের ক্ষীরপাইয়ের ঘুঘুডাঙায় গড়ে উঠেছে সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির। এলাকাবাসী চেনেন ডাকাত কালীবাড়ি নামে। দীপাণ্বিতা অমাবস্যায় রীতিমেনে আজও শক্তির আরাধনা হয়।

নেই সেই জঙ্গল। নেই গা ছমছমে ভাব। দীপাণ্বিতা অমাবস্যায় ক্ষীরপাইয়ের ঘুঘুডাঙার ডাকাত কালীবাড়িতে আসেন অগণিত ভক্ত। কথিত আছে, এক সময় এখানে ছিল ডাকাতদের বাস। শ্মশানে মাটির ঘরে কালীপুজো করে ডাকাতি করতে যেত ডাকাতদল। জঙ্গলে ঢুকতে সাহস পেতেন না কেউ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গল সাফ করে বসতি গড়ে ওঠে ঘুঘুডাঙায়। ১৩৬৫ সালে ঘাটালের মহকুমা শাসক অমলকুমার দাশগুপ্ত কালী মায়ের মন্দির স্থাপন করেন। তারপর থেকেই প্রতি বছর দীপাণ্বিতা অমাবস্যায় ঘটা করে সিদ্ধেশ্বরী কালীর পুজো হয়।

মণ্দিরের পাশ দিয়ে গেছে ঘাটাল - চন্দ্রকোণা রাজ্যসড়ক। আশেপাশে স্কুল-বাজার সবই আছে। ভয় নয়, এলাকাবাসীর কাছে ডাকাত কালীবাড়ি এখন শুধুই ভক্তিস্থল।

ঘুঘুডাঙার ডাকাত কালীবাড়িতে আজও পাঁঠা বলি হয়। তবে অন্যান্য জায়গার মতো হাড়িকাঠ ব্যবহার করা হয় না। ছাড়া ছাগ বলি দেওয়া হয়। নিষ্ঠা আর ভক্তিভরে মা সিদ্ধেশ্বরীর উপাসনায় মেতে ওঠেন ভক্তরা।

First published: 02:31:40 PM Oct 28, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर