Home /News /south-bengal /
Kalna Municpality: কালনা পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ, নিয়মিত বেতন মিলছে না, অভিযোগ

Kalna Municpality: কালনা পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ, নিয়মিত বেতন মিলছে না, অভিযোগ

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Kalna Municpality: এ বিষয়ে কালনা পৌরসভার তরফে অনিল বসু জানান, মূলত একশো দিনের কাজের টাকায় অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার একশো দিনের বকেয়া টাকা দিচ্ছে না। তাই অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দিতে সমস্যা হচ্ছে।

  • Share this:

#কালনা: কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখালেন কালনা পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। কার্যত পুরসভার অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। সমস্যা না মিটলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তাঁরা। তাতে ব্যহত হতে পারে দৈনন্দিন পুর পরিষেবা।কিন্তু তাঁদের এই বিক্ষোভ দেখানোর কারণ কী?

মূলত টানা কয়েক মাস অনিয়মিত বেতন পাওয়ার প্রতিবাদেই কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভে অংশ নেন তাঁরা। অনেকের হাতে নিয়মিত বেতনের দাবিতে প্লাকার্ডও ছিল। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কর্মীরা বলছেন, এই অস্থায়ী কর্মীরাই মূলত পরিষেবা দেওয়ার কাজ করে। প্রতিদিন নিয়ম করে জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজ, নিকাশি পরিষেবা সামাল দেওয়ার কাজ তাঁরাই করেন। অথচ তাঁরাই সময় মতো বেতন পাচ্ছেন না।

আরও পড়ুন- নূপুর শর্মার মন্তব্যের জের, টিভি বিতর্কে অংশ নেওয়া নেতাদের জন্য বিজেপির নয়া বিধি

কালনা পুরসভার অস্থায়ী কর্মীরা বলছেন, স্থায়ী না হওয়ায় পারিশ্রমিক মেলে সামান্যই। সেই বেতনটুকুও মেলে অনিয়মিত। এ মাসে তা আরও অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। নিয়মিত পারিশ্রমিক মিলছে না। কবে মিলবে তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। অনেকের এই সামান্য আয়ে সংসার চলে। সময়ে বেতন না মেলায় খুবই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাঁরা বলছেন, তাদের পারিশ্রমিক মাত্র দুশো টাকা। প্রতিদিন সেই সামান্য পারিশ্রমিকে চলছে না। তাদের দাবি, এই চরম দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পরিস্থিতিতে তাদের পারিশ্রমিক বাড়ানো হোক। এই সব কারণেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয় কালনা পৌরসভার অস্থায়ী কর্মীরা।এদিন তাঁরা কাজ বন্ধ রাখে। তাঁদের দাবি, বেতন না দিলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ রাখা হবে। তাতে শহরের পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে।

এ বিষয়ে কালনা পৌরসভার তরফে অনিল বসু জানান, মূলত একশো দিনের কাজের টাকায় অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার একশো দিনের বকেয়া টাকা দিচ্ছে না। তাই অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দিতে সমস্যা হচ্ছে। অন্য তহবিল থেকে এই টাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তার জন্য পুরোবোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন। দু'এক দিনের মধ্যে এই সমস্যা মিটে যাবে।

শরদিন্দু ঘোষ 

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Bardhaman

পরবর্তী খবর