corona virus btn
corona virus btn
Loading

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক কাঁচা বাড়ি ! বাদ যায়নি সরকারি ভবনও, আমফানে লন্ডভন্ড কাকদ্বীপ !

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক কাঁচা বাড়ি ! বাদ যায়নি সরকারি ভবনও, আমফানে লন্ডভন্ড কাকদ্বীপ !

ভেঙে পড়ছে পাকা বাড়ির দেওয়াল। ঝড়ের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক কাঁচা বাড়ি। বাদ যায়নি সরকারি ভবনও।

  • Share this:

#কাকদ্বীপ: বুধবার দুপুর আড়াইটে থেকে তান্ডব শুরু হয় আমফানের। সাইক্লোনের দাপটে মাইতিবাঁধ থেকে পাথরপ্রতিমা অসহায় বোধ করছেন মানুষজন। একের পর এক বট, অশ্বত্থের মতো গাছ উপড়ে পড়ছে। ভেঙে পড়ছে পাকা বাড়ির দেওয়াল। ঝড়ের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক কাঁচা বাড়ি। বাদ যায়নি সরকারি ভবনও।

কাকদ্বীপে সেচ দফতরের অফিসের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে একাধিক গাছ। উড়ে গিয়েছে সেচ দফতরের ছাদের ওপরে থাকা টিনের চাল। ভেঙেছে বাংলোর জানলা। একই অবস্থা কাকদ্বীপ আদালতের সামনে। উড়ে গিয়েছে বড় বড় ব্যানার, হোডিং। আর এই সব কিছুর জেরে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সুন্দরবনের মানুষ।কাকদ্বীপের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস। সকালবেলা টোটো নিয়ে বেরিয়েছিলেন রোজগারের আশায়। রোজগার বলতে যে সমস্ত মানুষ বাড়ি ছেড়ে সাইক্লোন সেন্টার বা নিরাপদ কোনও স্কুলে যাবেন তাদের পৌছে দিতে। কিন্তু শুরুতেই বিপত্তি কাকদ্বীপের  বাস স্ট্যান্ডের সামনে আসতেই শুরু হয়ে গেল ঝড়। প্রবল ঝড়ে উড়ে যায় প্রসেনজিৎ বাবুর টোটোর ছাদ। হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্তম্ভিত প্রসেনজিৎ।

তিনি জানান, "আমার রোজগারে বাড়িতে সংসার চলে। লকডাউনের সময় গাড়ি বেরোয়নি রাস্তায়। রোজগার বন্ধ। সেই অবস্থায় গাড়ি বের করেছিলাম। তাতে আমার সব শেষ হয়ে গেল।" ঝড়ের তান্ডবে গোটা কাকদ্বীপ, নামখানা, বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মোবাইলে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ল্যান্ড ফোনও বিকল। যোগাযোগের উপায় হ্যাম রেডিও। তাও হাই ফ্রিকোয়েন্সি গিয়ে কাজ করায় প্রযুক্তিগত সমস্যা থেকে যাচ্ছে। লট ৮-এর ধারে যে সমস্ত গ্রাম আছে সেগুলির অধিকাংশই বিধ্বস্ত। একেবারে জেটি ঘাটের কাছের গ্রাম কালিকাপুর। সেখানে প্রত্যেকটি কাঁচা বাড়ি ঝড়ের দাপটে উড়ে চলে গিয়েছে। আসবাব গৃহস্থালী কিছুই রক্ষা পায়নি। প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় শিবিরে থাকলেও, সেখানেও খাবার আর জল পেতে লড়াই চালাতে হচ্ছে তাদের। এখানের বাসিন্দা কল্পনা দাস। নিজের বাচ্চাকে নিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এদিন তিনি বলেন, "খাট, বিছানা, ঝড়ের তোরে কিছুই নেই আমাদের। প্রয়োজনীয় কাগজও জলে ভিজে গেছে। জানি না কিহবে আমাদের।"  একই অবস্থা ডলি মন্ডলের। স্বামী কাজের সূত্রে কেরালায় থাকেন। লকডাউনে আসতেও পারেননি। আর এখন, "বুঝতে পারছি না খাব কোথায়, থাকব কোথায়। আমফান আমাদের শেষ করে দিল।" এদিন সকাল থেকে প্রশাসন অবশ্য চেষ্টা করছে বিভিন্ন জায়গায় পৌছে ত্রাণ দিতে। তবে টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল হয়ে যাওয়ায় সমস্যা বেড়েছে প্রশাসনেরও।

Abir Ghoshal

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: May 21, 2020, 11:44 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर