দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এলেন না শীলভদ্র, বিধায়কের বাড়ি থেকে চা খেয়েই ফিরলেন জ্যোতিপ্রিয়

এলেন না শীলভদ্র, বিধায়কের বাড়ি থেকে চা খেয়েই ফিরলেন জ্যোতিপ্রিয়
বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের বাড়িতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷

খাদ্যমন্ত্রী অবশ্য দাবি করেন, শীলভদ্র দত্ত রাজনৈতিক সহকর্মী ছাড়াও তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু৷ তাঁদের প্রায় ৪৫ বছরের পরিচয়৷

  • Share this:

#ব্যারাকপুর: সকালে মান ভাঙাতে গিয়েছিলেন টিম পিকে-র দুই সদস্য৷ তাতে বরফ তো গলেইনি, উল্টে ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত জানিয়ে দেন, নিজের সিদ্ধান্তে তিনি অনড়৷ আগামী নির্বাচনে তিনি দাঁড়াবেন না৷ এমন কি, কেন দলীয় কোনও নেতা দেখা করতে এলেন না তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি৷

শীলভদ্রের এই অনড় মনোভাবের পরই এ দিন সন্ধ্যায় সোদপুরের ঘোলায় তাঁর বাড়িতে দেখা করতে যান খাদ্যমন্ত্রী এবং উত্তর চব্বিশ পরগণার তৃণমূল জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ যদিও শীলভদ্র দত্ত বাড়িতে না থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি খাদ্যমন্ত্রীর৷ শেষ পর্যন্ত বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই ফিরে আসতে হয় জ্যোতিপ্রিয়কে৷

খাদ্যমন্ত্রী অবশ্য দাবি করেন, শীলভদ্র দত্ত রাজনৈতিক সহকর্মী ছাড়াও তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু৷ তাঁদের প্রায় ৪৫ বছরের পরিচয়৷ রাজনৈতিক কোনও কারণ নয়, এ দিন এমনিই তিনি শীলভদ্র দত্তের খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন জ্যোতিপ্রিয়৷ খাদ্যমন্ত্রী বলেন, 'ছাত্র রাজনীতি করার সময় থেকে ওর সঙ্গে আমার পরিচয়৷ নিয়মিত ফোনেও কথা হয়৷ এ দিক দিয়ে যাচ্ছিলাম বলে আমি জানিয়েছিলাম যে আসব৷'

শীলভদ্র দত্ত জানতেন জ্যোতিপ্রিয় আসবেন৷ তার পরেও এ দিন বাড়িতে ছিলেন না তিনি৷ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এসে ফোন ব্যারাকপুরের বিধায়কের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলেও ফেরেননি শীলভদ্র৷ বিধায়কের বোন জানান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এলে তাঁকে চা খাওয়াতে বলে গিয়েছেন শীলভদ্রবাবু৷

শীলভদ্র দত্তের দল ছাড়ার জল্পনা বা ভোটে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিতে চাননি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ উল্টে তিনি দাবি করেন, শীলভদ্র দত্ত তৃণমূলেই আছেন এবং থাকবেনও৷ ক্ষোভ থাকলে দল তা প্রশমিত করবে বলেও দাবি করেন খাদ্যমন্ত্রী৷ ভোটে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত শীলভদ্রের একান্তই ব্যক্তিগত বলে দাবি করেন তিনি৷ জ্যোতিপ্রিয় দাবি করেন, শীলভদ্র দত্তের সম্প্রতি বড় অস্ত্রোপচার হয়েছে৷ সেই কারণেও তিনি হয়তো ভোটে না দাঁড়াতে পারেন৷

শীলভদ্র দত্তের বোন কৃষ্ণা দত্ত অবশ্য জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে তাঁর দাদা রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা পরিবারের কেউ এখনও জানেন না৷ তবে পরিবারের তরফে এবার তাঁকে রাজনীতি থেকে অবসর নিতে বলা হয়েছে৷

Rajorshi Roy

Published by: Debamoy Ghosh
First published: December 1, 2020, 9:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर