দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কাজ নেই, পুজোর আগে মন ভাল নেই পাট শিল্পীদের!

কাজ নেই, পুজোর আগে মন ভাল নেই পাট শিল্পীদের!

এবার করোনার কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের শোলা শিল্পী পাড়ার ছবিটা পুরোপুরি অন্য চেহারায়।

  • Share this:

#পূর্ব মেদিনীপুর: মাটির তৈরি ছোটো বড় দুর্গা মায়ের মুখের সারি। দুর্গা মূর্তির চারিপাশ ঘিরে পাটের নানা শৌখিন কারুকাজে। পুর্ব মেদিনীপুরের কুটির শিল্পের কর্মশালার ছাদের নিচে তৈরি হওয়া এইসব দুর্গা মূর্তিই গাড়ি বোঝাই হয়ে চলে যায় কুমোরটুলি। প্রতি বছর পুজোর মুখে কুমোরটুলির চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হত যাদের, এবার করোনার কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের পাট শিল্পীদের হা পিত্যেশের ছবিই ধরা পড়ছে!

হলদিয়া থেকে তমলুক কিংবা কোলাঘাট মহিষাদল, কাঁথি-এগরা, পাঁশকুড়া। জেলার পাটচাষ প্রধান এলাকাতেই মুলত এইসব জুট আর্টিস্টদের দেখা মেলে। যারা সারা বছরই পাটের শৌখিন কারুকাজে নিজেদের ব্যস্ত রাখেন। এইসব পাট শিল্পীদের হাতের শৌখিন কাজে অন্য অনেক কিছুর মতোই দুর্গা মায়ের মুখ ভরে ওঠে নানা সৌন্দর্যে। নিজেদের বাড়িতে বসে কাজ করেন এবং তাদের এইসব কাজ সরবরাহ হয়ে চলে যায় কলকাতার কুমোরটুলিতে। দুর্গা পুজোর সময় এলে এই শোলা শিল্পীদেরই রাতদিন এক করে কাজ শেষ করতে হয়। ভুলতে হয় নাওয়া খাওয়া। এবার করোনার কারণে পূর্ব মেদিনীপুরের শোলা শিল্পী পাড়ার ছবিটা পুরোপুরি অন্য চেহারায়।

এবারের পুজোতে উৎসব আড়ম্বর আগের তুলনায় অনেকখানিই কমবে, সেকথা জানেন সবাই। এবং সেই কারণেই যে এবার তাদের কাছে সাজানো গোছানো দুর্গা মায়ের মুখ মূর্তির অর্ডার এবার আর সেভাবে আসেনি, সেকথাও জেনে গিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের পাট অলংকার শিল্পীরা। যারা এবার কাজের অভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন। সারা বছর কাজ করলেও দুর্গা পুজোর সময় এলে প্রতি বছরই তারা কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। স্বাভাবিকভাবে এই সময়ই তাঁরা বাড়তি আয়েরও সুযোগ পান। কিন্তু এবার করোনা তাদের সব আশাতেই জল ঢেলেছে। কুমোরটুলি থেকে এবার খুব কম কাজের বরাতই পেয়েছেন তাঁরা। মায়ের মুখ পাটের শিল্প কর্মে সাজিয়ে তোলার কারিগরদের তাই মন ভাল নেই। কাজ নেই, তাই আয়ও নেই। পুজোর মুখে এমন অবস্থায় পড়ে দুশ্চিন্তায় পাটশিল্পীরা।

Published by: Pooja Basu
First published: October 9, 2020, 11:50 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर