দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিপুল পরিমাণে খনিজ কয়লা লুকিয়ে মাটির বুকে, সমীক্ষায় ‘এই’ জেলার প্রশাসন

বিপুল পরিমাণে খনিজ কয়লা লুকিয়ে মাটির বুকে, সমীক্ষায় ‘এই’ জেলার প্রশাসন

২১০ কোটি টন উন্নতমানের কয়লা লুকিয়ে পশ্চিমবঙ্গের এই জেলার মাটির নিচে৷

  • Share this:

#বীরভূম:  মহম্মদবাজারের ডেউচা - পাঁচামী প্রস্তাবিত কয়লা খনি গড়ে ওঠার আগে যে সমীক্ষার কাজ চলছে এলাকায় তা দেখতে মহম্মদবাজারের হরিনসিংগা সহ বিভিন্ন গ্রামে গেলেন বীরভূমের জেলা শাসক বিজয় ভারতী ও বীরভূমের জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।  সেখানে তারা কথা বললেন আদিবাসী পরিবার গুলির সঙ্গে।

 বীরভূম বিপুল খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ জন্মলগ্ন থেকেই। বর্তমানে ধীরে ধীরে সেই সকল খনিজ সম্পদের খোঁজ মিলছে এবং তা উত্তোলণের বন্দোবস্ত চলছে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে। এমনই এক বিপুল খনিজ সম্পদের ভাণ্ডার রয়েছে বীরভূমের মহঃবাজার ব্লকের ডেউচা, পাঁচামি, দেওয়ানগঞ্জ, হরিণসিঙ্গা এবং তার আশপাশের গ্রামের মাটির নীচে। এই এলাকায় কম করে ২১০ কোটি ২০ লক্ষ টন উন্নত মানের কয়লা মজুদ রয়েছে। আর এই সকল কয়লা উত্তোলনের দায়িত্ব ভারত সরকার দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। আর সেই মোতাবেক রাজ্য সরকার কিভাবে প্রকল্প বাস্তবায়িত করা যায় তার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করছে।ডেউচা-পাঁচামী প্রস্তাবিত কয়লা খনির বাস্তবায়নে মূল সমস্যা হলো এখানকার পুনর্বাসন প্যাকেজ।

এই এলাকায় কম করে ৫ হাজার পরিবারের বসবাস। যাদের মধ্যে অধিকাংশই আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত। এছাড়াও এই এলাকায় অন্যান্য স্থানে বসবাসকারীদের জায়গা রয়েছে বলেও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। এখন এখানকার আদি বাসিন্দাদের রয়েছে নিজস্ব কিছু দাবি দাওয়া।আর এর পরিপ্রেক্ষিতেই বীরভূমের জেলাশাসক ডঃ বিজয় ভারতী ও জেলা পুলিশ সুপার আজ গেলেন বেশ কিছু গ্রামে গ্রামে। জেলা শাসক জানিয়েছেন, এই কয়লাখনির কাজ শুরু করার পূর্বে এলাকার বাসিন্দাদের আর্থ সামাজিক সমীক্ষার কাজ শুরু করা হয়েছে। এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পত্তি, আয়ের উৎস পরিমাণ, ইত্যাদি সহ সকলের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ লিপিবদ্ধ করা। সমীক্ষার ভিত্তিতে উঠে আসা সংকলিত তথা এবং পরামর্শের উপর ভিত্তি করে রাজ্য সরকার একটি সুসংহত পুনর্বাসন প্যাকেজ তৈরি করতে সমর্থ হবে।পাশাপাশি তিনি এটাও জানান যে, "সকলকে নিশ্চিত করা হচ্ছে যে রাজ্য সরকার আলােচনা-পূর্বক সহমতের ভিত্তিতেই কয়লা শিল্পাঞ্চলের কাজ শুরু করতে আগ্রহী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে কোনাে মতামত চাপিয়ে দেওয়া হবে না। তা সত্ত্বেও যদি কারাে কোনাে অসন্তোষ থাকে, তা নিরসন করার জন্য ত্রিস্তরীয় শুনানী ও মীমাংসার ব্যবস্থা থাকবে।" এই প্রকল্পের অর্থনৈতিক উন্নতি প্রসঙ্গে জেলাশাসক এদিন বলেন, "প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সমগ্র এলাকার ও রাজ্যের সর্বাঙ্গীন অর্থিক উন্নতি ঘটবে এবং বিপুল কর্মসংস্থান হবে। রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে সকলের আন্তরিক এবং সক্রিয় সহযােগিতা একান্ত কাম্য।"

এলাকার বাসিন্দাদের বোঝানোর জন্য ইতিমধ্যেই লিফলেট তৈরি করেছে বীরভূম জেলা প্রশাসন যা এলাকার বাসিন্দাদের কাছে বিলি করা হচ্ছে,  তাছাড়াও সমস্ত এলাকায় প্রচার চালানো হচ্ছে বীরভূম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাতে প্রশাসন থেকে কি করতে চাইছে তার সঠিক বার্তা পৌছায় আর এলাকার অধিবাসীদের কাছে। যাতে তারা কারোর উস্কানিতে পা না দেয়।

Supratim Das

Published by: Debalina Datta
First published: December 8, 2020, 8:16 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर