Home /News /south-bengal /

Purba Bardhaman News: সিনিয়ররা করোনা আক্রান্ত, বর্ধমান মেডিক্যালে এখন ভরসা জুনিয়র চিকিৎসকরাই

Purba Bardhaman News: সিনিয়ররা করোনা আক্রান্ত, বর্ধমান মেডিক্যালে এখন ভরসা জুনিয়র চিকিৎসকরাই

বর্ধমান মেডিক্যালে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখছেন জুনিয়র চিকিৎসকরাই৷

বর্ধমান মেডিক্যালে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখছেন জুনিয়র চিকিৎসকরাই৷

প্রতিদিন আউটডোরে তিন হাজারের কাছাকাছি রোগী আসেন। এছাড়াও এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্ডোরে দেড় হাজারের কাছাকাছি রোগী ভর্তি থাকেন (Burdwan News)।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান মেডিক্যাল (Burdwan Medical) কলেজ হাসপাতালে এখন জুনিয়র ডাক্তাররাই পরিষেবা সামাল দেবার ক্ষেত্রে অন্যতম ভরসা। দিনরাত এক করে এখন পরিষেবা দিতে হচ্ছে তাঁদের। তার কারণ এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তারদের অনেকেই এখন করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নানা কারণে কয়েকজন আসতেও পারছেন না। ফলে পরিষেবা সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকদেরই।

নতুন বছরের শুরু থেকেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত চিকিৎসকের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ছ'' জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। এই নিয়ে এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩৬ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হলেন।

আরও পড়ুন: শীর্ষে কলকাতা, ৯ জেলায় দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়ার প্রবণতা সর্বাধিক!চিন্তায় নবান্ন

অন্যদিকে ৩৮ জন নার্সও করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। তাই এই সময় বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁরা ছোট ছোট দল করে বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে পালা করে রোগীদের পরিষেবা সামাল দিচ্ছেন।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেন, এমনিতেই সারা বছর বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিষেবার একটা বড় অংশই জুনিয়ার ডাক্তারা সামাল দেন। এই সময় তাঁদের আরও বাড়তি দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: টিকা নিতে নারাজ স্কুল শিক্ষক, বাড়ির দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিলেন গ্রামের মহিলারা

বর্ধমানমেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ সারা বছর। শুধু পূর্ব বর্ধমান জেলা নয়, পাশের পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একটা বড় অংশ এমন কি পাশের রাজ্য বিহার, ঝাড়খন্ড থেকে প্রচুর রোগী আসে এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

প্রতিদিন আউটডোরে তিন হাজারের কাছাকাছি রোগী আসেন। এছাড়াও এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্ডোরে দেড় হাজারের কাছাকাছি রোগী ভর্তি থাকেন। সিনিয়র ডাক্তারদের পক্ষে এই বিশাল পরিষেবা সামাল দেওয়া কঠিন। সে জায়গায় বেশিরভাগ কাজ জুনিয়র ডাক্তারদের সামাল দিতে হয়। তার উপরে এই সময় অনেক চিকিৎসকই করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ায় সেই দায়িত্ব আরও বেড়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, যেসব চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের বেশিরভাগেরই কোনও উপসর্গ নেই। তাঁরা সুস্থ রয়েছেন। তবে তাঁদের এখন বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। আবার কো মর্বিডিটি থাকায় কিছু চিকিৎসক নিয়মিত হাসপাতালে আসতে পারছেন না। জুনিয়ার ডাক্তারা না থাকলে এই সময় পরিষেবা সামাল দেওয়া খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়াতো।

এখন জরুরি রোস্টার তৈরি করে জুনিয়র ডাক্তাররা পালা করে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তার ফলে পরিষেবা সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে না।

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: Burdwan, Covid ১৯, Purba bardhaman

পরবর্তী খবর