• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • লকডাউনে বাড়ি বাড়ি ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছেন এই জেলার সাংবাদিকরা

লকডাউনে বাড়ি বাড়ি ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছেন এই জেলার সাংবাদিকরা

সিপলা, কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল টেকনোলজি মিলে এই ওরাল অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধটি তৈরি করেছে। করোনা চিকিৎসায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ওষুধ রয়েছে বাজারে।

সিপলা, কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল টেকনোলজি মিলে এই ওরাল অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধটি তৈরি করেছে। করোনা চিকিৎসায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ওষুধ রয়েছে বাজারে।

গৃহবন্দি পুরুষ মহিলাদের প্রয়োজনের ওষুধ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন বর্ধমান জেলা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকরা।

  • Share this:

#বর্ধমান: পুলিশের মতোই লক ডাউনে পথে নেমে রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে কাজ করে চলেছেন তাঁরাও। তাঁরা সংবাদিক। কেউ খবরের কাগজ, কেউ বৈদ্যুতিন মাধ্যম, আবার কেউ যুক্ত ডিজিটাল মিডিয়ায়। মুখে মাস্ক। কারও কারও মুখে ফেস কভার বা মাউথ কভার। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করে চলেছেন তাঁরা। করোনা মোকাবিলায় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত, পুলিশের সামাজিক উদ্যোগ, পরিস্থিতি মোকাবিলায়  বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে আসা থেকে মানুষকে লক ডাউন মানতে সচেতন করার বার্তা তুলে ধরছেন সাংবাদিকরা। পেশাগত সেই তাগিদ সামলেও এই পরিস্থিতিতে সামাজিক দায়িত্বও কাঁধে তুলে নিচ্ছেন তাঁরা।

গৃহবন্দি পুরুষ মহিলাদের প্রয়োজনের ওষুধ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন বর্ধমান জেলা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকরা। অনেক দম্পতি বয়সের কারণে বের হতে পারছেন না। এখন তাঁদের বের হওয়া একদম উচিতও নয়, তাঁদের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার এই সাংবাদিকরা। বর্ধমান জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রবীর চট্টোপাধ্যায় বললেন, লক ডাউনে গ্রামাঞ্চলে অনেক ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। যান চলাচল না করায় অনেকে জেলা সদরে আসতেও পারছেন না। আবার শহরেও অনেক বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা একা রয়েছেন। তাঁদের ওষুধ এনে দেওয়ার কেউ নেই। সেই সব অসহায় বাসিন্দাদের জন্যই আমাদের এই উদ্যোগ।

ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য রূপক মজুমদার বলেন, লক ডাউনের জেরে জেলার বাসিন্দারা নানাভাবে সমস্যায় রয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়িতে আমাদের প্রায় দেড়শো সদস্য তৈরি রয়েছে। যেকোন সামাজিক কাজে প্রয়োজনে আমাদের ব্যবহার করার জন্য জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে  আবেদন রেখেছি আমরা। সদস্য শুভেন্দু সাঁই জানান, মেমারির এক ব্যক্তি একটি ওষুধ পাচ্ছিলেন না। সেই ওষুধটি পেতে সবাই যেভাবে এককাট্টা হয়েছিলেন তা ভাবা যায় না।

ফোন নম্বর দিয়ে তা সোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিল ৪৫ বছরের বর্ধমান জেলা প্রেস ক্লাব। শুধু ওষুধ পৌঁছে দেওয়া নয়, নানান সমস্যার কথা জানাচ্ছেন বাসিন্দারা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফোন আসছে। সাধ্যমতো তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ক্লাবের সাংবাদিক সদস্যরা।

Published by:Piya Banerjee
First published: