• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • বর্ধমানে করোনা আক্রান্ত এক সাংবাদিক! চাঞ্চল্য প্রশাসনিক মহলে

বর্ধমানে করোনা আক্রান্ত এক সাংবাদিক! চাঞ্চল্য প্রশাসনিক মহলে

তার শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। ওই সাংবাদিক গত কয়েক দিনে কাদের সংস্পর্শে এসেছেন তা এখন খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন।

তার শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। ওই সাংবাদিক গত কয়েক দিনে কাদের সংস্পর্শে এসেছেন তা এখন খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন।

তার শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। ওই সাংবাদিক গত কয়েক দিনে কাদের সংস্পর্শে এসেছেন তা এখন খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা যুদ্ধে পুলিশ, চিকিৎসকদের মতোই সামনে দাঁড়িয়ে লড়াই করছেন সাংবাদিকরা। করোনার সংক্রমণ তাঁদের দেহে কোনও প্রভাব ফেলতে পেরেছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন বর্ধমানের সাংবাদিকদের অনেকেই। সেই পরীক্ষার রিপোর্টে উদ্বেগ বাড়লো সাংবাদিকদের মধ্যে। লালারসের নমুনা দেওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে একজনের রিপোর্ট করোনা পজিটিভ এসেছে। যদিও তার শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না। ওই সাংবাদিক গত কয়েক দিনে কাদের সংস্পর্শে এসেছেন তা এখন খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন।

তাঁদের শরীরে করোনার সংক্রমণ রয়েছে কিনা তা জানতে বুধবার বর্ধমানের ৩৬ জন সাংবাদিক তাঁদের লালারসের নমুনা জমা দেন। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের চিকিৎসক ও কর্মীরা জেলা তথ্য সংস্কৃতি দফতর সংলগ্ন এলাকায় যাবতীয় নিরাপত্তা বিধি মেনে পিপিই কিট পরে সাংবাদিকদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করেন। সেই সব নমুনার রিপোর্ট আসার পর দেখা গিয়েছে, ৩৫ জন সাংবাদিকের রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ হলেও একজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর ফলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জেলা প্রশাসন ও সাংবাদিক মহলে। বাকি ৩৫ জনের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ পর্বে ওই সাংবাদিক সেই স্থানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে কয়েক জনের সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে দীর্ঘক্ষণ মেলামেশাও করেন তিনি। ফলে সেই সব সাংবাদিকের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, জেলা তথ্য সংস্কৃতি দফতর ও জেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মী আধিকারিক সেখানে ছিলেন। ওই কর্মীদের আপাতত ৭দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার রাতে ওই সাংবাদিক করোনা আক্রান্ত তা নিশ্চিত হওয়ার পরই তাঁকে প্রশাসনের উদ্যোগে বাড়ি থেকে বর্ধমানের করোনা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বর্ধমানের গোলাহাট এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাড়ি ও ওই এলাকা স্যানিটাইজ করার পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। ওই সাংবাদিক গত কয়েক দিনে কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। জানা গিয়েছে, লালারসের নমুনা জমা দেওয়ার একদিন আগেই ২২ জুন তিনি বর্ধমান জেলা পরিষদের অঙ্গীকার হলে একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেই সভায় প্রবীণ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ সহ পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তিনি আর কোন কোন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, পরিবারের সদস্যদের কতজনের সংস্পর্শে এসেছেন তিনি, সেসব তথ্য সংগ্রহ করছে জেলা প্রশাসন। প্রয়োজনে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করা কয়েকজনের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: