কাটমানির জন্যই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা মুখ্যমন্ত্রীর, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নাড্ডার

কাটমানির জন্যই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা মুখ্যমন্ত্রীর, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নাড্ডার

আমফান দুর্নীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি চালু করতে না দেওয়ার অভিযোগে এ দিন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি সভাপতি৷

আমফান দুর্নীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি চালু করতে না দেওয়ার অভিযোগে এ দিন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি সভাপতি৷

  • Share this:

    #ডায়মন্ড হারবার: কাটমানির জন্যই রাজ্যবাসীকে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ডায়মন্ড হারবারের সভা থেকে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা৷ তাঁর আরও দাবি, বাংলায় পরিবর্তন এসে গিয়েছে৷ বিজেপি-র ক্ষমতা দখল এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা৷

    আমফান দুর্নীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি চালু করতে না দেওয়ার অভিযোগে এ দিন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি সভাপতি৷ তিনি বলেন, 'মোদিজি আপনাদের জন্য বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন৷ আমফানের ত্রাণের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন৷ কিন্তু এখানে চাল চোর আর ত্রিপল চোররা রয়েছে৷ সেসব পাওয়া যাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে৷ আর মমতাজি বলছেন ৭৫ শতাংশ কাটমানি পার্টিকে দিও, বাকিটা বিতরণ করো৷ কী ধরনের ভাবনা, দুর্নীতি চলছে৷ মোদিজি ৮০ কোটি জনতার জন্য রেশনের ব্যবস্থা করেছেন৷ আর তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতি করেছেন৷ আগামী নির্বাচনে এদেরকে হারিয়ে পদ্ম ফোটাতে হবে৷'

    জে পি নাড্ডা আরও দাবি করেন, আমফান দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট সিএজি-কে দিয়ে অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে৷ কিন্তু তার বিরোধিতা করে মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন৷ নাড্ডা বলেন, 'কীসের এত ভয়? ভয় পাচ্ছেন কারণ দুর্নীতি করেছেন৷'

    এর পরেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি থেকে রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করার অভিযোগে সরব হন নাড্ডা৷ তিনি বলেন, '৭০ লক্ষ কৃষকের বছরে ৬ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু তাঁরা তা পাচ্ছেন না৷ কীভাবে পাবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন চাষিকে দিও না, আমাকে দিয়ে দাও৷ কাটমানি, কাটমানি, কাটমানি৷ আপনারাই বলুন, গরিব মানুষের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়া উচিত কিনা? এই প্রকল্পে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ প্রথম দফায় ৩ হাজার কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে৷ মমতা বলছেন খরচ করব না৷ সেই কাটমানি, কাটমানি, কাটমানি৷ আগামী বিধানসভায় এঁদেরকেই ছুটি করে দিতে হবে৷ বিজেপি-র ডবল ইঞ্জিনের সরকার আনতে হবে৷ যাতে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো টাকা খরচ হয়৷'

    দলীয় কর্মীদের পরামর্শ দিয়ে বিজেপি সভাপতি বলেন, বাংলায় পরিবর্তন এসে গিয়েছে৷ মনে মনে বাংলার মানুষ বিজেপি-কেই বেছে নিয়েছে৷ শুধু আগামী চার মাসে সবার কাছে পৌঁছতে হবে দলীয় কর্মীদের৷ কারণ রাজ্য সফরে এসে তিনি বুঝেছেন, তৃণমূলের রাজত্বে রাজ্যবাসী ত্রস্ত৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:

    লেটেস্ট খবর