দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কাটমানির জন্যই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা মুখ্যমন্ত্রীর, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নাড্ডার

কাটমানির জন্যই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা মুখ্যমন্ত্রীর, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নাড্ডার

আমফান দুর্নীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি চালু করতে না দেওয়ার অভিযোগে এ দিন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি সভাপতি৷

  • Share this:

#ডায়মন্ড হারবার: কাটমানির জন্যই রাজ্যবাসীকে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ডায়মন্ড হারবারের সভা থেকে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা৷ তাঁর আরও দাবি, বাংলায় পরিবর্তন এসে গিয়েছে৷ বিজেপি-র ক্ষমতা দখল এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা৷

আমফান দুর্নীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি চালু করতে না দেওয়ার অভিযোগে এ দিন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি সভাপতি৷ তিনি বলেন, 'মোদিজি আপনাদের জন্য বিনামূল্যে রেশনের ব্যবস্থা করেছেন৷ আমফানের ত্রাণের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন৷ কিন্তু এখানে চাল চোর আর ত্রিপল চোররা রয়েছে৷ সেসব পাওয়া যাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে৷ আর মমতাজি বলছেন ৭৫ শতাংশ কাটমানি পার্টিকে দিও, বাকিটা বিতরণ করো৷ কী ধরনের ভাবনা, দুর্নীতি চলছে৷ মোদিজি ৮০ কোটি জনতার জন্য রেশনের ব্যবস্থা করেছেন৷ আর তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতি করেছেন৷ আগামী নির্বাচনে এদেরকে হারিয়ে পদ্ম ফোটাতে হবে৷'

জে পি নাড্ডা আরও দাবি করেন, আমফান দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট সিএজি-কে দিয়ে অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে৷ কিন্তু তার বিরোধিতা করে মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন৷ নাড্ডা বলেন, 'কীসের এত ভয়? ভয় পাচ্ছেন কারণ দুর্নীতি করেছেন৷'

এর পরেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি থেকে রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করার অভিযোগে সরব হন নাড্ডা৷ তিনি বলেন, '৭০ লক্ষ কৃষকের বছরে ৬ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু তাঁরা তা পাচ্ছেন না৷ কীভাবে পাবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন চাষিকে দিও না, আমাকে দিয়ে দাও৷ কাটমানি, কাটমানি, কাটমানি৷ আপনারাই বলুন, গরিব মানুষের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়া উচিত কিনা? এই প্রকল্পে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ প্রথম দফায় ৩ হাজার কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে৷ মমতা বলছেন খরচ করব না৷ সেই কাটমানি, কাটমানি, কাটমানি৷ আগামী বিধানসভায় এঁদেরকেই ছুটি করে দিতে হবে৷ বিজেপি-র ডবল ইঞ্জিনের সরকার আনতে হবে৷ যাতে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো টাকা খরচ হয়৷'

দলীয় কর্মীদের পরামর্শ দিয়ে বিজেপি সভাপতি বলেন, বাংলায় পরিবর্তন এসে গিয়েছে৷ মনে মনে বাংলার মানুষ বিজেপি-কেই বেছে নিয়েছে৷ শুধু আগামী চার মাসে সবার কাছে পৌঁছতে হবে দলীয় কর্মীদের৷ কারণ রাজ্য সফরে এসে তিনি বুঝেছেন, তৃণমূলের রাজত্বে রাজ্যবাসী ত্রস্ত৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: December 10, 2020, 3:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर