দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাবড়ার জমা জলের যন্ত্রণা মেটাতে ১৯ কোটি বরাদ্দ সেচ দফতরের

হাবড়ার জমা জলের যন্ত্রণা মেটাতে ১৯ কোটি বরাদ্দ সেচ দফতরের

সব থেকে বেশি জলের সমস্যা তৈরি হয় কুমড়া পঞ্চায়েতের বাগাডাঙ্গা, রুদ্রপুর মাকালতলা, ফরমেনিয়া ভারতী নগর কলোনী -সহ বেশ কিছু এলাকায়।

  • Share this:

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও জলমগ্ন হাবড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড। প্রবল বৃষ্টির পরে, হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের প্রায় ৯টি গ্রাম জলের নিচে চলে গিয়েছিল। জমা জলে অসহায় হয়ে পড়েছিল প্রায় ৫৬ টি পরিবার। দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রস্তাব অনুযায়ী, হাবড়া শহরের চারদিক ঘেরা রয়েছে পদ্মা খাল দিয়ে। এই খালের সংষ্কারের জন্যে রাজ্যের সেচ দফতর বরাদ্দ করে প্রায় ৯ কোটি টাকা। যদিও কাজ শুরু করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা যায়। করোনা পরিস্থিতিতে কাজ শুরু করা যায়নি। এরই মধ্যে এখনও জল জমে আছে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। হাবড়া পুরসভার ৭,৮ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মা খালের জল নিকাশির সমস্যা থাকার কারণে ব্যাপকভাবে জলমগ্ন থাকে এলাকাগুলি। এরই মধ্যে এই এলাকায় প্রায় ৩০০ বাড়ি আছে, যা পদ্মা খালের বুজে যাওয়া চরের উপরে তৈরি হয়েছে। ফলে জল নিকাশির সমস্যা তৈরি হয়েছে।

সব থেকে বেশি জলের সমস্যা তৈরি হয় কুমড়া পঞ্চায়েতের বাগাডাঙ্গা, রুদ্রপুর মাকালতলা, ফরমেনিয়া ভারতী নগর কলোনী -সহ বেশ কিছু এলাকায়। হাবড়ার বিধায়ক তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন বাম জমানায় তৎকালীন ৪৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তৈরি করা হয়েছিল টিপির বাঁধ। অবিজ্ঞানসম্মত বাঁধের কারণেই আজকের এই সমস্যা।ওটা হয়ে গিয়েছে বামজামানার পাপ। তিনি বলেন এই জলের সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সেচ দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। আজ স্বরূপনগর এবং হাবড়ার বিডিও নিয়ে মিটিং করা হবে। এছাড়া সাহায্য করছে কে এম ডি এ।

পরিকল্পনা করা হচ্ছে পদ্মা খাল থেকে জল প্রায় ১ কিমি লম্বা হাইডেনসিটি পাইপ বসিয়ে বা চ্যানেল বানিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে নাগলা বিলে। সেখান থেকে চার ঘাট হয়ে জল ফেলা হবে যমুনা নদীতে। সেখান থেকে টিপি বাঁধ হয়ে নিয়ে যাওয়া হবে রায়মঙ্গল নদীতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী যমুনা ও ইচ্ছামতী নদীকে এক করে দেওয়া হবে যাতে রায়মঙ্গল হয়ে জল বাংলাদেশের চলে যেতে পারে। জলমগ্ন পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বাড়িতে থাকতে অসুবিধা হলে অন্যত্র উচুঁ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে জলমগ্ন মানুষদের এবং অসহায় পরিবার গুলির খাবার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। একদিকে করোনা আর তার মধ্যেই জল যন্ত্রণা সব মিলিয়ে অসহায় বোধ করেছিলেন এই সব এলাকার মানুষ। হাবড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছেন, পুরসভার ৮ ওয়ার্ডের এক সময়ের বিজেপি কাউন্সিলর ভূপতি মজুমদার যিনি পরে পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন তার সময়ে একাধিক বাড়ি পদ্মা খালের ওপরে বানানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এখন সেই বাড়ি উচ্ছেদ করা না হলেও গোটা ঘটনার যথাযথ তদন্ত করতে জেলাশাসককে অনুরোধ করেছেন। তবে এই জল যন্ত্রণা এখনও ৭-১০ দিন সহ্য করতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

ABIR GHOSHAL

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 30, 2020, 5:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर