corona virus btn
corona virus btn
Loading

নিজের বেতনের টাকায় কচিকাঁচাদের পড়াশোনা চালু রাখতে উদ্যোগী হলেন শিক্ষক

নিজের বেতনের টাকায় কচিকাঁচাদের পড়াশোনা চালু রাখতে উদ্যোগী হলেন শিক্ষক

লকডাউন চলাকালীন প্রাথমিকের পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালু রাখতে তাঁর এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে।

  • Share this:

#বর্ধমান:  করোনা ঠেকাতে এখনও লকডাউন চলছে স্কুলগুলিতে। কবে যে ফের স্কুল খুলে স্বাভাবিক পঠনপাঠন শুরু হবে তার নিশ্চয়তা নেই। স্কুল বন্ধ। তাই পড়াশোনার চাপ নেই। মাঝেমধ্যে মিড ডে মিলের খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। সেসবও নিতে আসছেন অভিভাবকরা। বাড়িতে কি করছে সেই ক্ষুদে পড়ুয়ারা? স্কুল বন্ধ থাকলেও এবার বাড়িতেই শুরু হোক একটু করে লেখাপড়া। সেই লক্ষ্যেই কচিকাঁচাদের পড়াশোনা চালু রাখতে উদ্যোগী হলেন শিক্ষক।

শিক্ষক মিসকিন মন্ডল। পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার পশ্চিম চক্রের আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিসকিন। লকডাউন চলাকালীন প্রাথমিকের পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালু রাখতে তাঁর এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই তিনি নিজের খরচায় প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীকে একটি করে পেন ও খাতা দিয়েছেন। সেই খাতায়  দেওয়া হয়েছে বাড়ির কাজ। আলাদা আলাদা শ্রেণীর জন্য হোম টাস্ক আলাদা আলাদা। পনেরো দিন পর হোম টাস্ক শেষ করে সেই খাতা ফেরত পাঠাতে হব। অভিভাবকদের মাধ্যমে পাঠানো খাতা হোম টাস্কের পর ফেরত আনবে অভিভাবকরাই।

শিক্ষক মিসকিনের মতে, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়বে। স্কুল থেকে বাড়িতে অনুশীলনের খাতা দেওয়া হয়েছে শুনে পড়াশোনায় বাড়তি উৎসাহ পাবে তারা। পনেরো দিনের মধ্যে কাজ শেষ করারও একটা তাগিদ থাকবে। সেসব ভেবেই এই খাতা পেন দেওয়ার পরিকল্পনা। শুধু নিজের স্কুলের পড়ুয়াদের জন্যই নয়, আশপাশের দশটি স্কুলের সব পড়ুয়াকেই খাতা পেন দিয়েছেন তিনি।

ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ছবি সাহা জানান,আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিসকিন মন্ডল যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অন্য সব শিক্ষকদের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো। তিনি নিজের বেতনের টাকা খরচ করে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে একটি করে পেন ও খাতা দিচ্ছেন। প্রত্যেকের খাতায় বাড়ির কাজ লিখে দিচ্ছেন। তাঁর এই উদ্যমে আমরা গর্বিত। বিদ্যালয়ের শিক্ষকের এই উদ্যোগে খুশি স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা।

মিসকিন মন্ডল জানান,  শুধু আমার বিদ্যালয়েই নয়, এলাকার দশটি বিদ্যালয়ে এই খাতা ও পেন বিতরণ করছি। উদ্দেশ্য একটাই ছেলে মেয়েরা পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত থাকুক। দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ থাকায় চর্চার অভাবে তারা অনেক কিছু ভুলে যেতে পারে। পড়াশোনার অভ্যাসও অনেকে হারিয়ে ফেলতে পারে। তাই ঘরে পড়াশোনার অনুশীলন বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: July 10, 2020, 5:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर