করোনার থাবা, আগামিকাল থেকে বন্ধ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পেট্রাপোল সীমান্ত

করোনার থাবা, আগামিকাল থেকে বন্ধ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পেট্রাপোল সীমান্ত

১৩ মার্চ থেকে বন্ধ থাকবে এই স্থল বন্দর

  • Share this:

#বনগাঁ: ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ যাতায়াত করে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে। এদেশে পেট্রাপোল তো বাংলাদেশে বেনাপোল।সম্প্রতি বাংলাদেশেও ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। ফলে সাবধনাতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে আগামিকাল অর্থাৎ ১৩ মার্চ থেকে এই স্থলবন্দর দিয়ে আর কোনও যাত্রীকে যাতায়াত করতে দেওয়া হবে না বলে নোটিশ জারি হয়েছে।

১৩ মার্চ বিকেলের পর সাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এই  বন্দর। ১৩ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দেশের সবচেয়ে বড় এই  স্থল বন্দর। পেট্রোপোলের ইমিগ্রেশন অফিসার জানান,  ' নিরাপত্তার কথা ভেবে, করোনা সংক্রমণ রুখতে ভারত সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া, ১৩ মার্চের পর থেকে আর কোনও যাত্রীকেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া হবে না।'

ইমিগ্রেশন অফিসার জয়ন্ত বিশ্বাস আরও বলেন, '' যে সব ভারতীয় ইতিমধ্যে বাংলাদেশে রয়েছেন, তাঁরা চাইলে দেশে ফিরতে পারবেন এই বন্দর দিয়েl আবার একইরকম ভাবে যে সমস্ত বাংলাদেশের নাগরিক এদেশে রয়েছেন তাঁরাও সহজেই এই বন্দর ব্যবহার করে তাঁদের দেশে ফিরে যেতে পারবেন।'' ইতিমধ্যে পেট্রাপোল সীমান্তে করোন ভাইরাসে আক্রান্তদের পরীক্ষার জন্য কাজ শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের  চিকিৎসক ও কর্মীরা। বনগাঁর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য একটি ওয়ার্ডও নির্দিষ্ট করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। সেই ওয়ার্ডেটিকে আইসোলেশন ওয়ার্ড হিসাবে চিহ্নিতও করা হয়েছে।   ইমিগ্রেশন অফিসার জয়ন্ত বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ থেকে ফেরার সময় কোনও ভারতীয়র শরীরে করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা গেলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে বনগাঁ হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং ১৪ দিন কোয়ারান্টাইন করে রাখা হবে তাঁকে।

ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে সীমান্তজুড়ে শুরু হয়েছে হুড়োহুড়ি। এই বন্দর দিয়ে দু'দেশের মধ্যে কয়েক হাজার কোটি টাকার পন্য পরিবহণ হয়। বানিজ্যে যাতে  কোনও সমস্যা না হয়, তাই  দু'দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন চালু থাকবে। গড়ে ৬৫০ টি ট্রাকের পণ্য দু'দেশের মধ্যে যাতায়াত করে। সেই ব্যবস্থা চালু থাকায় স্বস্তি ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট  অ্যাসোসিশনের সদস্যদের মধ্যে। তবে এই সীমান্তে মুদ্রা বিনিময় ব্যবসায়ীদের ব্যবসা যে মার খাবে, সে'কথা বলার আপেক্ষা রাখে না।

RAJARSHI ROY

First published: March 12, 2020, 5:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर