বেআইনি টোটোর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমে নির্মমভাবে টোটো ভাঙচুর, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ জেলাশাসক

বেআইনি টোটোর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমে নির্মমভাবে টোটো ভাঙচুর, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ জেলাশাসক

লাঠি দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল টোটোর হেডলাইট, সামনের অংশ ৷ কোথাও আবার যাত্রীদের নামিয়ে ভাঙচুর করা হয়। হাত লাগান ট্রাফিক পুলিশও।

  • Share this:

#বর্ধমান: বেআইনি টোটোর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমে নির্মমভাবে টোটো ভাঙচুর। নিউজ এইটিন বাংলায় এই ছবি দেখান হয়েছিল রবিবার। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ জেলাশাসক। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

এই ছবি বর্ধমানের কার্জনগেট এলাকার। পুলিশের ইউনিফর্ম পড়ে হাতে লাঠি নিয়ে রীতিমত তাণ্ডব চলল।

লাঠি দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল টোটোর হেডলাইট, সামনের অংশ ৷ কোথাও আবার যাত্রীদের নামিয়ে ভাঙচুর করা হয়। হাত লাগান ট্রাফিক পুলিশও।

কিন্তু কেন এভাবে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে? বর্ধমানের জিটি রোডে টোটো চালানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। তা না মেনেই টোটো চালানো হচ্ছিল।

কিন্তু আইন না মানলে আইনি পথেই তো তার সমাধান করা যায়। টোটো বাজেয়াপ্ত করা বা জরিমানা করা যেত। কিন্তু তা না করে নির্মমভাবে ভেঙে দেওয়া হল টোটো। টোটো চালিয়েই তো রুজিরুটি তাঁদের। এবার কীভাবে দিন গুজরান হবে। দুশ্চিন্তায় টোটোচালকরা।

খাতায় কলমে এই এলাকায় টোটোর সংখ্যা ২ হাজার ৫৯১। কিন্তু বাস্তবে তা ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। লাগামহীন টোটোর দৌরাত্ম্যে যানজট এখানে রোজকার ঘটনা। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যা করেছে তাতে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রাও।

কাজটা যে আইন মেনে হয়নি, তা স্বীকার করেন জেলাশাসকও।

টোটো ইউনিয়নের দাবি, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট রুট হোক। আইন মেনেই হোক নির্দিষ্ট টোটো স্ট্যাণ্ড। দ্রুত পরিকল্পনা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক। কবে তা বাস্তবায়িত হয় সেদিকেই তাকিয়ে টোটোচালকরা।

First published: 10:55:59 PM Nov 18, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर